ঢাকা,  শুক্রবার   ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৫, ৮ এপ্রিল ২০২০
দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতি মাসে ভোজ্য লবণের মোট চাহিদা ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মাঠ ও মিল-এ মোট ১০ দশমিক ২৬ লাখ মেট্রিক টন লবণ মজুদ রয়েছে। এছাড়া সকল জেলার ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর লবণ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, আয়োডিনযুক্তকরণ, মজুদ ও মূল্য সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০১৯-২০২০ লবণ মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন।

এর মধ্যে এ বছরের ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১০ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়েছে। গত ২০১৮-১৯ লবণ মৌসুমে এ সময় উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৭৫ লাখ মেট্রিক টন।

Advertisement

এতে আরো বলা হয়, দেশে মোট নিবন্ধিত লবণ মিলের সংখ্যা ২৭০। এর মধ্যে করোনা প্রভাবের পূর্বে ১৮০টি মিল চালু ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৭০টি মিল চাহিদা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করোনা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বল্প পরিসরে চালু রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ বছরের মার্চ মাসে ৭৩ হাজার ২৮৮ মেট্রিক টন আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ ও ৫৫ হাজার ২৬ মেট্রিক টন আয়োডিনবিহীন শিল্প লবণ উৎপাদিত হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে লবণ মিলসমূহ চালু রাখার জন্য বিসিকের পক্ষ হতে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকার কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ছুটিকালীন নিরবিচ্ছিন্নভাবে আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন ও বাজারজাত অব্যাহত রাখতে চাহিদা অনুযায়ী লবণ মিলগুলোতে পটাশিয়াম আয়োডেট সরবরাহ করা হচ্ছে।

এছাড়া, বিসিকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠে লবণ উৎপাদন, মিলে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আয়োডিনযুক্তকরণ এবং বাজারজাতকরণসহ সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানসহ নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, লবণ চাষিদের নিয়মিত আবহাওয়া সংবাদ প্রদান, লবণ উৎপাদন ও মজুদ বিষয়ে কারিগরি সহায়তা প্রদান, ক্রুড লবণ বাজারজাতকরণের জন্য লবণ চাষি ও মিলারদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম সমন্বয় সাধন করতে বলা হয়েছে।

লবণ মিলে শিল্প ও আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন, বিক্রি, মজুদ ও মূল্য সম্পর্কিত নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করে তা বিসিকের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করতে বলা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!