মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলে ইইউ। বিবৃতিতে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা রক্ষার ওপরও গুরুত্ব দাবি করেছে তারা। এছাড়া এই আন্তর্জাতিক চুক্তি রক্ষার ক্ষেত্রে ইইউ সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।
গত দুই বছর ধরে ইরানকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারপরেও ইরানের প্রতি এ আহ্বান জানাল তারা।
.png)
এর আগে ২০১৮ সালের মে মাসে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরান ঘোষণা করে যে, সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী বাকি দেশগুলো যদি তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে তবে ইরানও কোনো প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে না। বাকিরা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেই ইরানও তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে যাবে। তবে তারপর থেকে এখন পর্যন্ত ইইউ মৌখিকভাবে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার কথা বলে আসলেও বাস্তবে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ জানুয়ারি ইরান ঘোষণা করে যে, দেশটির পক্ষে একতরফাভাবে পরমাণু সমঝোতার ধারাগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এছাড়া এ সমঝোতারই ২৬ ও ৩৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, অন্য পক্ষগুলো যদি এই সমঝোতায় দেয়া প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয় তবে ইরান আংশিক বা পুরোপুরিভাবে নিজের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন স্থগিত রাখতে পারবে।
এর আগে ইরান ইউরোপকে সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয় যে, তারা যদি পরমাণু সমঝোতা মেনে ইরানকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা দিতে পারে তবে ইরানও এ সমঝোতা আবার মেনে চলতে শুরু করবে।
সূত্র- পার্সটুডে