আমরা ক্রিকেট ফ্যান, না কি ডেঙ্গু রোগী!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=132788 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৪ ১৪২৭,   ৩০ মুহররম ১৪৪২

Beximco LPG Gas

আমরা ক্রিকেট ফ্যান, না কি ডেঙ্গু রোগী!

 প্রকাশিত: ০৯:৩৮ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৫৬ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মনদীপ ঘরাই

কর্ম-পরিচয়ে মনদীপ ঘরাই একজন সরকারি কর্মকর্তা। লেখালেখিও করেন। করেন আরো অনেক কিছু। যার অধিকাংশই উল্লেখযোগ্য। এবার কোনো প্রকারের সরকারি অনুদান ছাড়াই তৈরি করেছেন ‘আমার ইউপি’ অ্যাপ। যার মাধ্যমে যে কোনো নাগরিক জানতে পারবেন ইউনিয়ন পরিষদের সব তথ্য।  এমন অসংখ্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে তার

থার্মোমিটার মুখে দিয়ে জ্বর মাপছি যেন। সেই আয়ারল্যান্ড সিরিজে আশার পারদটা উঠতে শুরু করলো। তাপ বাড়ছে। সাফল্যের তাপ। সিরিজ জয়ে সে তাপ বাড়তেই থাকলো। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে জ্বরে গা পুড়তে থাকলো।বুঝে নিলাম, জ্বর হয়েছে ১০৪ ডিগ্রী। এবার উত্তাপে পোড়াবো সবাইকে। 

হঠাৎ করে পারদের থার্মোমিটারের গা বেয়ে ওঠা গেল থেমে। এবার থার্মোমিটারের তাপ নামাতে ঝাঁকুনিটা দিল ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান। ক্রমেই পারদ নামতে থাকলো নিচের দিকে। ইশ! যদি শ্রীলঙ্কাকে পেতাম, বৃষ্টি যদি না হতো!বিশ্বকাপের জ্বর ছাড়লেও হালকা জ্বর- জ্বর ভাব রয়ে গেল। সেইটা কাটাতে খুব বেশি সময় লাগলো না। বিশ্বকাপের পরপরই জ্বর আরও নামলো শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর হারে। জ্বর তখনো একশো।

দেশে ফিরে বৃষ্টির আশায় যখন সবার চোখ টেস্টের শেষ দিনে,ঠিক তখনই শেষ ঘন্টায় চুরমার হলো সব স্বপ্ন। শরীরের তাপমাত্রা এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক।
কোন কিছুতেই শরীরের তাপ আর বাড়তে দেব না বলেই প্রতিজ্ঞা করলাম। মনের চারপাশে শক্ত মশারী টানালাম। কাজ হবে কী? ততক্ষনে কামড়ে দিয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজের এডিস। আশার পারদ আবার জ্বর হয়ে বাড়তে লাগলো। জিম্বাবুয়ের ম্যাচে ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়লো। আর পরের ম্যাচে? কুৎসিত এক হারে এখন হাত-পা ঠান্ডা। আফগানদের কাছে হারে কেমন জানি এই ভয়াবহ গরমেও শীত শীত করছে।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, এ ডেঙ্গু জ্বরের ঔষধ নেই। হয় না। জ্বর শুধু বাড়ে আর কমে। শুধু ফ্লুইড আই মিন স্যালাইনেই সমাধান। পাব কই? এ স্যালাইন বা লবণ পানি গুলিয়ে খেতে হয় না। চোখ থেকে ঝরে। প্রত্যেকটা হারের পরে টাইগার ভক্তদের চোখ থেকে ঝরে।

কোন এক ডাক্তার এসে বলে গেলেন,এত কথা বলছেন, জ্বর কমাচ্ছে কে? উত্তাপ কমে হারছি  কার কেরামতিতে?

চোখ পড়লো টেবিলের ওপর রাখা এক পাতা প্যারাসিটামলের দিকে। গুনলাম। দশটা। খাপে খাপে একটা একটা নাম বসালাম। কখনও মুশফিক, কখনো সাব্বির, তামিম কিংবা গত কয়েক ম্যাচে সাকিব! কিন্তু দল তো এগারো জনের! একটা মানুষ কে? যে একটু হলেও উত্তাপ ছড়িয়ে যায়? থাকে,থাকে। 

প্রতি ম্যাচেই হয় সাকিব, নয় আফিফ,  না হয় অফ ফর্ম রিয়াদ একটু করে জ্বলে ওঠে, আর আমরা জ্বরের আগমন ভেবে মুখে পুরি থার্মোমিটার! জয়ের উত্তাপের আশায়। ধুঁকে ধুঁকে জয় নয়। বীরত্বের জয়। সেদিন প্যারাসিটামলের পাতাটা থাকবে ট্যাবলেটশূণ্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস