প্রতি সপ্তাহে দুইবার কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয় বিল্লালের। চিকিৎসা করাতে এরইমধ্যে জমি-জমা বিক্রি, ধার-দেনা করে এখন নিঃস্ব তিনি। তার এ চিকিৎসার টাকা জোগার করতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে পরিবারকে।
জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন বিল্লাল হোসেন। চলতি বছরের ১২ জুলাই থেকে ডায়ালাইসিস নিতে হচ্ছে তাকে। ন্যাশনাল কিডনি হাসপাতাল ও গণস্বাস্থ্য নগরসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ বহন করতে সব কিছু হারিয়ে এখন সর্বশান্ত তার পরিবার। বর্তমানে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. রতন দাস গুপ্তের তত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন আছেন। সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হয় তার।
.png)
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হলে তিনি সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারে। এজন্য তার প্রয়োজন প্রায় ১২ লাখ টাকা। তিনি ছাড়া তার পরিবারের দেখাশোনা করার মতো কেউ নেই। এমন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিল্লাল।
জানতে চাইলে বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি মনোয়ারা গ্রুপের মার্চেন্টডাইজার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলাম। আমার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আর চাকরি করতে পারি না। শরীরে প্রায় ৩-৪ কেজি পানি জমেছে। যার ফলে আমি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না।
অফিস থেকে আমাকে চিকিৎসার জন্য সর্বমোট ৫২ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। এখন আমি টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসাও নিতে পারছি না। আমার পরিবারের উপার্জন করার মতো কেউ নেই। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি।
বিল্লাল হোসেনের বাবা মান্নান হাওলাদার বলেন, ডাক্তার বলছে ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রায় ১২ লাখ টাকার দরকার। কিন্তু আমি তো নিঃস্ব। কী করবো বুঝতে পারছি না। ছেলের জীবন বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চাই।
সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুণ:
রোগীর নিজস্ব বিকাশ নং: ০১৯১৬-৭৮৭০০৪, মো. আবু হানিফ হাওলাদার (রোগীর ছোট ভাই) ইসলামী ব্যাংক নারায়নগঞ্জ শাখার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নং: ২০৫০১০৮০২০১০১২৭০৮।