রোববার দুপুরে উপজেলার ধনকুণ্ডি আয়েশা মওলা বক্স দাখিল মাদরাসা কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- উপজেলার সুঘাট ইউপির কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদরাসার আরমিনা খাতুন, সাথী আক্তার, সীমা খাতুন, লায়লা আক্তার, নাসিমা পারভীন, সীমাবাড়ি ইউপির নাকুয়া দাখিল মাদরাসার আবু রায়হান, আব্দুস সালাম, কাওছার আলী, সুজন মিয়া, তাসলিমা খাতুন ও সুঘাট ইউপির মধ্যভাগ দাখিল মাদরাসার মো. সোহাগ হোসেন, শ্যামলী খাতুন।
.png)
দণ্ডিতরা হলেন- মধ্যভাগ দাখিল মাদরাসার সুপার আকবর আলী ও নাকুয়া দাখিল মাদরাসার সুপার সেলিম উদ্দিন।
শেরপুরের ইউএনও মো. লিয়াকত আলী শেখ জানান, ১২ শিক্ষার্থীকে ভাড়া করে ধনকুণ্ডি আয়েশা মওলা বক্স দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগে শেরপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জামশেদ আলম রানা ওই কেন্দ্রে অভিযান চালান। এ সময় ১২ পরীক্ষার্থীকে শনাক্ত করে হাতেনাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আনায় দুই মাদরাসা সুপারকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটক দুই শিক্ষককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়।