ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে টিসিবির ডিলারের মাধ্যমে ৪৫ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল বাকীর উপস্থিতিতে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্ত্বরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়।
জানা গেছে, ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রির কথা জানতে পেরে সকাল থেকেই লোকজন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে এসে লাইনে দাঁড়ায়। পুরুষ ও মহিলারা দুইটি পৃথক লাইনে দাড়িয়ে জনপ্রতি এক কেজি করে পেঁয়াজ কেনা শুরু করে। লোকজনের ভিড় এড়াতে এবং সুশৃংখলভাবে যাতে লোকজন পেঁয়াজ কিনতে পারেন সেজন্য সেখানে পুলিশও মোতায়েন করা হয়।
রোজগার ট্রেডার্স নামে টিসিবির একজন ডিলারের মাধ্যমে এ পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করা হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে ভাষা চত্বরের ফটক বন্ধ করে জানানো হয়, লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের দিয়েই শেষ হবে পেঁয়াজ বিক্রির কাজ। এরপর থেকে ভিড় কমতে থাকে।
রোজগার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নুরুন্নাহার বেগম জানান, বুধবার বিকেলে পেঁয়াজ বিক্রির কথা জানানো হয়। আমাদেরকে তিন টন পেঁয়াজ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বেশ ভালোভাবেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে।
পেঁয়াজ কেনা শেষে পৈরতলার পারুল বেগম বলেন, কয়েকদিন আগে দোকান থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছিলাম। এখানে কমদামে বিক্রি হচ্ছে জেনে লাইনে দাঁড়িয়ে পেঁয়াজ কিনেছি।
পেঁয়াজ কিনতে আসা মো. শাহ আলম, মো. আলীসহ আরো কয়েকজন টিসিবির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা জানায়, টানা কয়েকদিন এ দামে পেঁয়াজ বিক্রি হলে বাজারে এর প্রভাব পড়বে। আশা করি আগের দামেই বাজার থেকে পেঁয়াজ কেনা যাবে।
পেঁয়াজ বিক্রি তদারকি করতে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী জানান, জনপ্রতি এক কেজি করে পেঁয়াজ দেয়া হচ্ছে। তিন দিনে মোট তিন টন পেঁয়াজ দেয়া হবে। শনি ও রোববারও একইস্থানে পেঁয়াজ বিক্রি হবে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি হায়াত-উদ-দৌলা খান জানান, প্রাথমিকভাবে তিন টন পেঁয়াজ বরাদ্দ দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আপাতত একস্থানেই পেঁয়াজ বিক্রি হবে। আরো বরাদ্দ পাওয়া গেলে কার্যক্রমের বিস্তার ঘটানো হবে।