জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, রোববার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অপর দিকে ওই গুদামে অতিরিক্ত প্রায় ৯ মেট্রিক টন চাল পাওয়া গেছে। দুদকের ধারণা, গুদামে পাওয়া অতিরিক্ত চালগুলো আত্মসাৎ ও পাচারের জন্য রাখা হয়েছিলো।
শুক্রবার সকালে গাবতলির সাবেক পাড়া খাদ্য গুদাম থেকে ১৫ টন চাল ট্রাকে করে পাচার করা হচ্ছিল। এ সময় গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, ধুনটের চাল ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন শাহীন ও গুদামের নৈশ প্রহরী সাদেকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।
.png)
পুলিশ আটকদের দুদকের নিকট সোপর্দ করে। পরে দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক ওয়াহিদ মঞ্জুর সোহাগ বাদী হয়ে গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মামলা এবং জেল হাজতে পাঠান।
সরকারি চাল পাচারের ঘটনায় তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত চালগুলো কোন কর্মসূচির খাদ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি এটি তদন্ত করবে।
এ বিষয়ে দুদক সমন্বিত কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান জানান, অতিরিক্ত চালগুলো কিভাবে মজুদ করা হলো এবং কারা এরসঙ্গে জড়িত তা তদন্ত করা হবে।