ঢাকা,  রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

ভোট দেয়ায় কেটে দেয়া হলো আঙুল, তবুও দমানো গেল না তাদেরকে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:২৮, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ভোট দেয়ায় কেটে দেয়া হলো আঙুল, তবুও দমানো গেল না তাদেরকে!

২০১৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেয়ায় সাইফুল্লাহ সাফির ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে ফেলে আফগানিস্তানের তালেবানরা। আঙুল কাটলেও তালেবানরা  দেশটির এই ব্যবসায়ীকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

তালেবানের হুমকি উড়িয়ে শনিবার আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন সাফি। ৩৮ বছর বয়সী এই ব্যক্তির একটি ছবি শনিবার টুইটারে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, তার ডান হাতের তর্জনী আঙুলের অর্ধেক অংশ নেই। কিন্তু বাম হাতের তর্জনী আঙুলে ভোটের কালি। এই ছবিতে তিনি ভোট দিয়েছেন বলে বোঝাতে চেয়েছেন।

ভোটকেন্দ্রে তালেবানদের হামলার হুমকি উপেক্ষা করে রোববার আফগানরা দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।  

২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের অবসান ঘটায়। পতনের পর অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়লেও বর্তমানে তালেবানরা বেশ শক্তিশালী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বেশ কয়েকটি বড়সড় হামলা চালিয়েছে তালেবান।

২০১৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ভোট দেয়ায় দেশটিতে অন্তত ছয়জনের আঙুল কাটে তালেবান জঙ্গিরা। সাইফুল্লাহ তাদের একজন; তিনি বলেন, আমি জানি, এটা বেদনাদায়ক এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু এটা শুধুমাত্র একটি আঙুল। এটা যখন আমার সন্তান ও দেশের ভবিষ্যতের বিষয়; তখন আমি কখনোই পিছপা হব না। এমনকি যদি আমার পুরো হাত কেটে ফেলা হয়।

২০১৪ সালে ভোটদানের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে সাইফুল্লাহ বলেন। ভোটদানের একদিন পর রাজধানী কাবুল থেকে পূর্বাঞ্চলের খোস্ত শহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেসময়ও তার আঙুলে ভোটের কালির দাগ ছিল।
 
সাইফুল্লাহ বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোট না দেয়ার জন্য আমাকে অনুরোধ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু আমি পরিবারের সবাইকে ভোট দেয়ার জন্য কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছি। সূত্র : রয়টার্স।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!