ঢাকা,  সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ খেলা ]

খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর ওপর গুরুত্ব প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:০৩, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর ওপর গুরুত্ব প্রতিমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসব পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানার মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের পর সহকারী শিক্ষক নিয়োগের নতুন প্রয়োজনীয়তাও তৈরি হতে পারে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে লার্নিং টয়েস বা শিখন উপকরণ বিতরণ করেন। এ সময় খেলাধুলা ও বিভিন্ন আনন্দময় কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের শেখার দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরের মৌলিক শিখনদক্ষতাও যাচাই করেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে খেলাধুলা ও হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রচলিত মুখস্থনির্ভর পদ্ধতির পরিবর্তে খেলনা ও আধুনিক শিখন উপকরণ ব্যবহার করলে শিশুরা জটিল বিষয়ও সহজে বুঝতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন কিংবা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। প্রতিটি শিশু শ্রেণিকক্ষে কী শিখছে, নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারছে কি না এবং শিক্ষকরা কতটা কার্যকরভাবে পাঠদান করছেন, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।

গণিত ও ইংরেজিসহ মৌলিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঘাটতি চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী। এ জন্য শ্রেণিভিত্তিক শিখনফল মূল্যায়ন এবং শিশুদের উপযোগী আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লার্নিং টয়েসসহ কার্যকর শিখন পদ্ধতি দেশের অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়েও সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান ববি হাজ্জাজ।

এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!