ঢাকা,  সোমবার   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

হামজা চৌধুরীর দেড় বছরে ৫ হাজার জার্সি বিক্রি

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০২, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হামজা চৌধুরীর দেড় বছরে ৫ হাজার জার্সি বিক্রি
ছবি: সংগৃহীত

কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা বোঝার অন্যতম বড় সূচক তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। বাংলাদেশেও জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির সাম্প্রতিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, হামজা চৌধুরীকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা হামজা বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর দেশের ফুটবল নিয়ে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রভাব পড়েছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতেও। বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হামজার নাম-নম্বর সংবলিত জার্সি। গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজা চৌধুরীর জার্সি বিক্রি হয়েছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কিট স্পন্সর হিসেবে দৌড়ের সঙ্গে চুক্তি হয়। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে খুব একটা সাড়া পাওয়া না গেলেও হামজা বাংলাদেশ দলে আসার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। দৌড়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে তারা প্রায় ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি জার্সিতে ছিল নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর।

Advertisement

সেই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে হামজা। ১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক। বিক্রির দিক থেকে হামজার পরেই রয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজা বাংলাদেশে আসার পর জাতীয় দলের জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তার ভাষায়, গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজার জার্সি বিক্রি হয়েছে এবং তার আগমনে দেশের ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এদিকে হামজার জার্সির ব্যাপক চাহিদার মধ্যেই নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে দৌড়। নতুন জার্সি নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ইতিবাচক।

ইতোমধ্যে এর জন্য এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে। ফলে হামজাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা শুধু তার ব্যক্তিগত জার্সির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও সমর্থকদের আগ্রহ বাড়ছে। আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জার্সির চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে দৌড়।

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা। নতুন জার্সির নকশা তৈরিতেও ছিল সমর্থকদের অংশগ্রহণ। আবিদ আলমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বেছে নিয়ে চূড়ান্ত জার্সির নকশা তৈরি করা হয়েছে।

হোম জার্সির মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও নকশায় তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ঘাম মাত্র আট মিনিটের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা। খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য রাখা হয়েছে ৭০০ টাকা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!