শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে চিটাগংকে আগে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় রাজশাহী। রানের খাতা খোলার আগেই ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। পেসার তাসকিন আহমেদের লেংথ ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সংযোগ ঘটাতে পারেননি। সাব্বির হোসনের হাতে ক্যাচ দেন ইমন।
এরপর পাকিস্তানি ব্যাটার উসমান খান ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২১ বলেই ফিফটি হাঁকান। ইংলিশ ব্যাটার গ্রাহাম ক্লার্কের সঙ্ঘে ১২০ রানের জুটি গড়েন। সোহাগ গাজীর বলে মারতে গিয়ে হাসান মুরাদের হাতে ধরা পড়ার আগে ২৫ বলে ৪০ রান করেন ক্লার্ক।
.png)
সোহাগ গাজীর শর্ট ডেলিভারিতে বাইশ গজে আধিপত্য দেখাতে থাকা উসমান স্কয়ার লেগ দিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছিলেন। তবে সেটা সাব্বির হোসেন কিংবা শফিউল ইসলামের কেউ লুফে নিতে পারেননি। জীবন পেয়ে ৪৮ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছেন উসমান।
বিপিএলের ইতিহাসে এটি ৩৩তম সেঞ্চুরি এবং উসমানের বিপিএল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়। এর আগে ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে তিনি সেঞ্চুরি করেছিলেন।
অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ১৫ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। তার আগে উসমানের সঙ্গে তিনি ৬৩ রানের জুটি গড়েন। শামীম হোসেন পাটোয়ারী মাত্র ২ রানে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন।
শতক পাওয়া উসমান ৬২ বোলে ১৩ চার ও ২ ছক্কায় ১২৩ রানের ইনিংস খেলার পর তাসকিনের বলে হাসান মুরাদের হাতে ধরা পড়েন। শেষ দিকে হায়দার আলী ৮ বলে ১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দুইশ ছাড়ানো স্কোর আরো বাড়িয়ে নেন। রাজশাহীর পক্ষে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চার ওভারে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট পান তাসকিন আহমেদ।