ডাম্বুলায় শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবে দুদল।
২০০৬ সালে প্রথম দ্বিপাক্ষীক সিরিজে মুখোমুখি হয় শ্রীলংকা ও নিউজিল্যান্ড। দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। ২০১৩ সালে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-২০ সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় শ্রীলংকা। এক ম্যাচের সিরিজ জয়ের পর নিউজিল্যান্ডের কাছে টানা চার সিরিজে হারে স্বাগতিকরা।
.png)
এবার ১১ বছরের সিরিজ জয় খরা কাটাতে মরিয়া শ্রীলংকা। দলের অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০তে আমাদের রেকর্ড ভালো নয়। সর্বশেষ ১১ বছর আগে সিরিজ জিতেছিলাম আমরা। এবার সিরিজ জিতে নতুন রেকর্ড গড়তে চাই। যেকোন ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ড ভালো দল। সিরিজ জিততে হলে আমাদের সেরা পারফরমেন্স করতে হবে।’
গত মাসে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল শ্রীলংকা। ক্যারিবীয়দের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ী দল নিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে লঙ্কানরা।
চলতি বছরের জুনে টি-২০ বিশ্বকাপের পর শ্রীলংকা সিরিজ দিয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে খেলতে নামছে নিউজিল্যান্ড। তাদের বিপক্ষে টি-২০ ফরম্যাটের পর ওয়ানডে সিরিজেও দলকে নেতৃত্ব দিবেন অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার। প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার নাথান স্মিথ ও উইকেটরক্ষক ব্যাটার মিচেল হে।
এ মাসেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট থাকায় শ্রীলংকা সিরিজে টম ব্লান্ডেল, ডেভন কনওয়ে, ড্যারিল মিচেল, উইল ও’রুর্ক, রাচীন রবীন্দ্রর মতো খেলোয়াড়দের রাখা হয়নি। তারপরও এই দল নিয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্যান্টনার।
তিনি বলেন, ‘দলে অনেক বড় তারকা ক্রিকেটাররা নেই। কিন্তু যারা আছে, তাদের সবারই ভালো খেলার সামর্থ্য ও দক্ষতা আছে। আশা করি, শ্রীলংকার বিপক্ষে আমরা সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারবো’
এ পর্যন্ত ২৩ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলংকা ও নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে শ্রীলংকা ৭টিতে এবং নিউজিল্যান্ড ১৩টিতে জিতেছে। ২টি ম্যাচ টাই ও ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।