সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে পাওয়া গেল বিস্ময়কর তথ্য। তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই নেপালে টুর্নামেন্ট খেলতে গেছেন বাঘিনীরা। ফেডারেশন থেকে বেতন প্রদানের আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কতদিনের মধ্যে তা পরিশোধ করা হবে, ফুটবলাররা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় দলের এক ফুটবলার ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘এখনো তিন মাসের বেতন বাকি রয়েছে। বাফুফে থেকে বলা হয়েছে সব পরিশোধ হবে। তবে কতদিনের মধ্যে দেবে, জানি না।’
.png)
আগামী ২৬ অক্টোবর বাফুফে নির্বাচন। নতুন কমিটির কাছে বেতন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে প্রত্যাশা কেমন- জানতে চাইলে ঐ ফুটবলারের সাফ কথা, ‘নির্বাচন নিয়ে আমি কোনো কথাই বলতে চাই না। মাঠের খেলা নিয়েই চিন্তা-ভাবনার ভেতর থাকতে চাই।’
চার ক্যাটাগরিতে ২০২৩ সালের আগস্টে নারী ফুটবলারদের বেতন বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছিল। ৩১ খেলোয়াড়ের সঙ্গে নতুন করে ছয় মাসের চুক্তিও করেছিল বাফুফে। এরপর থেকে নিয়মিত বেতন প্রদান করেনি বাফুফে।
নেপালে সাফ জয়ের পর বেতন-ভাতা বৃদ্ধির জন্য আন্দোলনে নেমেছিলেন নারী ফুটবলাররা। তারা দাবি পূরণে ক্যাম্পে থাকা অবস্থায় বন্ধ রেখেছিলেন অনুশীলন। আন্দোলনের ফলে গবেতন বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ফুটবল ফেডারেশন।
এ-ক্যাটাগরির ১৫ ফুটবলারকে মাসে ৫০ হাজার, বি-ক্যাটাগরির ১০ জনের ৩০ হাজার এবং বাকি ছয় ফুটবলারের চার জন ২০ এবং দুজনের বেতন ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তিন মাসের বকেয়া বেতন কবে নাগাদ পরিশোধ করা হবে- তা জানতে বাফুফের সেক্রেটারি ইমরান হোসেন তুষারের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠালেও তিনি তা সিন করেননি।