তবে এটা নিশ্চিত, যদি আগামী আইপিএলে ধোনি খেলেন, তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী বেতন কমিয়ে খেলতে হবে সাবেক এই ভারতের অধিনায়ককে। ধোনি আগামী আইপিএল খেলবেন কিনা তা নির্ভর করছে নানা হিসাব-নিকাশের ওপর।
আইপিএলে এবার নতুন নিয়ম, ৫ বছরের বেশি সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না খেললে তাকে 'আনক্যাপড' খেলোয়াড় হিসেবে দেখানো হবে। ২০১৯ সালের পর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি ধোনি। ফলে আগামী আইপিএলে তিনি একজন 'আনক্যাপড' খেলোয়াড়।
.png)
আর এমন খেলোয়াড়ের জন্য একটি নিয়ম রয়েছে আইপিএলে। যদি আগামী আইপিএলে ধোনিকে তার দল চেন্নাই নেয়, তবে তার বেতন অনেকটা কমাতে হবে। মূলত, ধোনিকে তার বেতনের ৬৬.৬৭ শতাংশ কমাতে হবে।
২০২২ সালের মেগা নিলামে ধোনিকে চেন্নাই ১২ কোটি রুপি দিয়ে দলে টেনেছিল। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, ধোনির বেতন ৬৬.৬৭ শতাংশ কমলে আগামী আসরে তার বেতন হবে ৪ কোটি রুপি।
পরবর্তী মেগা নিলামকে সামনে রেখে বিসিসিআই যে নিয়ম প্রকাশ করেছে, তা অনুযায়ী ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির সবাই সর্বোচ্চ ৬ জন করে খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। তবে এই ৬ জনের মধ্যে অবশ্যই একজন ‘আনক্যাপড’ খেলোয়াড় থাকতে হবে।
বাকি পাঁচজনের সবাই বিদেশিও হতে পারে বা ভারতীয় এবং বিদেশি মিলিয়েও হতে পারে।
কোনো দল যদি পাঁচজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে চায়, তাহলে প্রথম তিনজনকে ধরে রাখতে হবে যথাক্রমে ১৮ কোটি, ১৪ কোটি ও ১১ কোটি রুপিতে। শেষ দুজনের জন্য বরাদ্দ ১৮ ও ১৪ কোটি রুপি। যার মানে তাদের ১২০ কোটি রুপি খরচসীমার ৭৫ কোটিই শেষ হয়ে যাবে।
এছাড়া, দলগুলো সর্বোচ্চ দুজন 'আনক্যাপড' খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। আনক্যাপড খেলোয়াড়দের জন্য বেতন সীমা ৪ কোটি রুপি। এই নিয়মের কারণেই চেন্নাই ধোনিকে ধরে রাখতে পারবে।
তবে তার বেতন হবে মাত্র ৪ কোটি রুপি। এখন আইপিএলের এই নিয়মে কম বেতনে ধোনি খেলবেন কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে।