টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলংকা ৫ উইকেটে ৬০২ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে মাত্র ৮৮ রানেই অলআউট নিউজিল্যান্ড। এতে স্বাগতিক দল ৫১৪ রানের লিড পায়।
১৯৩৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭০২ রানের লিড পেয়েছিল ইংল্যান্ড, যা এখনো বিশ্বরেকর্ড। টাইমলেস যুগের সেই টেস্টে ইংলিশরা ৭ উইকেটে ৯০৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। ওপেনার লিওনার্ড হাটনের ৩৬৪ রানের ইনিংসটি দীর্ঘকাল টেস্টে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বাধিক রানের রেকর্ড হিসেবে টিকে ছিল। সেই ম্যাচে ইংলিশরা এক ইনিংস ও ৫৭৯ রানের বিশাল জয় পায়। ইনিংস ব্যবধানে জয়ের এই রেকর্ড এখনো অক্ষত।
.png)
কলম্বোতে ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলংকা ৫৮৭ রানের লিড পায়। এই টেস্টে কুমার সাঙ্গাকারা (২৮৭) ও মাহেলা জয়বর্ধনে (৩৭৪) তৃতীয় উইকেটে ৬২৪ রানের বিশ্বরেকর্ড জুটি গড়েন। স্বাগতিকরা ম্যাচটি ইনিংস ও ১৫৩ রানে জিতে নেয়।
লাহোরে ২০০২ সালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ৫৭০ রানের লিড পায় পাকিস্তান, ম্যাচটি ইনিংস ও ৩২৪ রানে জিতে যায়। টাইমলেস টেস্টের যুগে ১৯৩০ সালে কিংসটস টেস্টে ইংল্যান্ড ৫৬৩ রানের লিড পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
পঞ্চম সর্বাধিক রানের লিডের নজির শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪) দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলংকা পেল ৫১৪ রানের লিড। লর্ডসে ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডকে ইনিংস ও ৯২ রানে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সফরকারীরা পেয়েছিল ৫০৯ রানের লিড। ১৯৪৬ সালে ব্রিজবেন টেস্টে ৫০৪ রানের লিড পাওয়া অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডকে ইনিংস ও ৩৩২ রানে হারিয়েছিল।