অবসরের কথা জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমার মনে হয় টি-২০ তে আমি আমার শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছি। মিরপুর টেস্টে (দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) খেলতে পারলে সেটি হবে আমার শেষ টেস্ট।’
অবশ্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলে ওয়ানডে ফরম্যাট থেকে অবসর নিতে চান এ ক্রিকেটার। টি-২০ ফরম্যাট নিয়ে সাকিব বলেন, ‘সামনের সিরিজগুলো আমার খেলার কোন কারণ আছে বলে মনে করি না। অধ্যায়টি স্মরণীয় ছিল. তবে এটি পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মশাল প্রেরণ করার সময়।’
.png)
সিদ্ধান্তটি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেই নিয়েছেন সাকিব, ‘আমার মনে হয় নতুনদের সুযোগ দেওয়া উচিত। তাদের দেখা এটাই সবচেয়ে ভালো সুযোগ। ২০২৬ সালের দিকে যদি বাংলাদেশ ক্রিকেট তাকায়, তাহলে এটাই বাংলাদেশের জন্য ভালো। আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সবাই এক মত।’
অবশ্য দলের প্রয়োজনে পরবর্তীতে টি-২০ ক্রিকেটে ফিরতেও পারেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘আমি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গুলো খেলতে থাকি, ছয় মাস-এক বছর পরে যদি বিসিবি মনে করে যদি আমার টি-২০কে কন্ট্রিবিউট করার সুযোগ আছে, আমি পারফর্ম করছি এবং ফিট আছি, দেন আমরা ডিসাইড করতে পারি।’
তবে আপাতত আর আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলতে চান না জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘এই মুহূর্তে নিজেকে টি-২০তে দেখছি না। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে আমার ইচ্ছা আছে টেস্টে শেষ সিরিজ হওয়ার। মোটামুটি বলতে পারেন আমি অন্তুত দুটি সংস্করণে আমি আমার শেষটা দেখছি।’
২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খুলনায় সাকিবের টি-২০ অভিষেক হয়। কিংসটাউনে গত ২৪ জুন আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ টি-২০ খেলেছেন তিনি।
১২৯ ম্যাচের ১২৭ ইনিংসে ব্যাট হাতে ২৫৫১ রান করেছেন সাকিব। সর্বোচ্চ ৮৪। ২৩.১৯ গড় ও ১২১.১৮ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করা এ ক্রিকেটার ১৩বার অর্ধশতক পূরণ করেছেন।
বল হাতেও সমানতালে পারফর্ম করেছেন সাকিব। ১২৬ ইনিংস ১৪৯ বার উইকেট শিকারের আনন্দে মেতেছেন তিনি। দুইবার ৫ উইকেট পাওয়া এ অলরাউন্ডারের সেরা ফিগার ২০/৫। বোলিং গড় ২০.৯১ ও ইকোনমি ৬.৮১।