জেকোভিচের কাছে ১-৬, ৪-৬ গেমে হেরে যান নাদাল। চোট সারিয়ে কোর্টে ফিরলেও এখনো ফর্মে ফিরতে পারেননি তিনি। সোমবার পুরনো নাদালের কিছু ছোঁয়া দেখা গেলেও কখনো মনে হয়নি তিনি জকোভিচকে হারিয়ে দিতে পারবেন।
যে সুরকির কোর্টে নাদালকে রাজা বলা হয়, যে কোর্টে ১৪ বার ফরাসি ওপেন জিতেছিলেন, সেই কোর্টেই তিনি হেরে গেলেন জকোভিচের কাছে। এদিকে এক মাস আগে ফরাসি ওপেনের প্রথম রাউন্ডেও হেরে বিদায় নিয়েছিলেন স্প্যানিশ তারকা।
.png)
আবার সেই কোর্টে নাদাল হারতেই মনে করা হয়েছিল, নাদাল হয়তো অবসর নেবেন। যদিও তেমনটা ভাবছেন না এই তারকা। ম্যাচ শেষে প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন আপনারা চাইছেন আমি অবসর নেই, আমি চেষ্টা করছি প্রতিদিন নিজের সেরাটা দেয়ার।
রোজ রোজ এক প্রশ্ন? প্রতিদিন এটা আমার শেষ ম্যাচ ভেবে খেলা সম্ভব নয়। আমি এখানে এসেছি নিজের সেরাটা দিতে। যে দিন অবসর নেব বা অবসর নেয়ার কথা ভাবব, আমি আপনাদের জানিয়ে দেব। এখন আমি খেলাটা উপভোগ করার চেষ্টা করছি।’
এক ঘণ্টা ৪৩ মিনিটে জকোভিচের বিপক্ষে হেরে যান নাদাল। দ্য জোকার এই প্রতিযোগিতায় এক নম্বর বাছাই। চোটের কারণে দীর্ঘ দিন না খেলা নাদাল জানতেন সার্বিয়ার টেনিস তারকাকে হারানো কঠিন হবে।
স্পেনের টেনিস তারকা বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় অন্য জনের থেকে অনেকটাই ভালো খেলেছে। এটা মেনে নিতে হবে। এই হার মেনে নেয়া কঠিন ছিল। কিন্তু আমি মেনে নিয়েছি। কারণ আমি জানতাম, এমনটা হতে পারে।
যে ধরনের টেনিস খেলা প্রয়োজন ছিল তা আমি খেলতে পারিনি। ১৫ বছর আগে আমার পা যে ভাবে চলত, এখন সেটা হয় না। এই অবস্থায় ইতিহাসের সেরা টেনিস খেলোয়াড়কে বিপদে ফেলা কঠিন।’
সিঙ্গলসে হেরে গেলেও নাদাল অলিম্পিকে এখনো টিকে আছেন। কার্লোস আলকারাজকে সঙ্গে নিয়ে ডাবলসে খেলবেন তিনি।