শেষ চারের লক্ষ্যে আফগানদের বিপক্ষে বল হাতে শুরুটা ভালো করেছিল বাংলাদেশ। তাদের নৈপুণ্যে ১১৫ রানেই আফগানদের আটকে রাখে টাইগাররা। সেমিতে যেতে এ লক্ষ্য ১২.১ ওভারের মধ্যে তাড়া করতে হতো নাজমুল হোসেন শান্তদের।
সেটা তো দূরের কথা, শেষ পর্যন্ত ম্যাচই জিততে পারেনি টাইগারা। বৃষ্টি আইনে ৮ রানের জয়ে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের হারে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ারও।
.png)
ম্যাচ শেষে আফগান অধিনায়ক রশিদ খান বলেন, আমরা ভেবেছিলাম ১৩০-১৩৫ ভালো সংগ্রহ। কিন্তু আমরা ১৫ রান কম করেছি। আমরা জানতাম যে বাংলাদেশ চালিয়ে খেলবে আর আমাদেরকে সুযোগ গুলো নিতে হবে।
এরপর তিনি বলেন, আমাদের অতিরিক্ত কিছু করার দরকার ছিল না। আমরা জানতাম শুধুমাত্র নিজেদের পরিকল্পনামতো খেলার চেষ্টা করলেই যে হতো। আমরা ঘরের লোকদের খুশি করতে চেয়েছি। সবাই এটার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে।
সেমিতে উঠে ব্রায়ান লারাকে ধন্যবাদ দিয়ে রশিদ বলেন, কেবলমাত্র ব্রায়ান লারা বিশ্বাস করেছিলেন যে আমরা সেমিতে উঠতে পারব। আমরা তাকে ঠিক প্রমাণ করেছি। আমরা যখন তার সঙ্গে দেখা করেছি তখন তাকে বলেছিলাম যে আমরা তাকে হতাশ করব না।
দেশের জনগণকে নিয়ে রশিদ বলেন, আফগানিস্তানে এখন দারুণ উৎসব চলছে। আমাদের জন্যও এটা অনেক বড় অর্জন। আমরা অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে এর আগে এখানে পৌঁছেছি, কিন্তু এটা বিশ্বকাপ। আমার বলার ভাষা নেই যে দেশে এখন কতবড় উৎসব চলছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কিংস্টনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান তুলেছিল আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ।
ম্যাচের মাঝে বৃষ্টি হানা দিলে ডিএলএসে বাংলাদেশের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯ ওভারে ১১৪ রানে। জবাবে খেলতে নেমে ১৭ ওভার ৫ বলে ১০৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।