ভারতের কাছে অস্ট্রেলিয়া হারায় এখন বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়ার সমীকরণ একদম সহজ। অজিরা হেরেছে ২৪ রানে। বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১৬০ রান করে, সেক্ষেত্রে ৬২ রানে জিতলেই সেমিফাইনালে চলে যাবে।
আবার বাংলাদেশ যদি রান তাড়া করে, সেক্ষেত্রে অন্তত ১৩.২ ওভারের মাঝে জিততে হবে। অথবা জয়ের সময় রান রেট ১৩.৮ থাকতে হবে। এটি করতে পারলেই আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়াকে ছাপিয়ে সেমিতে যাবে টাইগাররা।
.png)
এদিকে বাংলাদেশ যদি ম্যাচটি কম ব্যবধানে হারে, তাহলে সেমিতে যাবে অস্ট্রেলিয়া। আর তাই যেন প্রক্স্যেই বাংলাদেশকে সমর্থনের কথা জানালেন অজি কাপ্তান মিচেল মার্শ। ম্যাচ শেষে তিনি বাংলাদেশকে ম্যাচ জয়ের অনুরোধও জানান।
আফগানদের বিপক্ষে নামার আগে যে পরিসংখ্যান টাইগারদের আশা দেখাতে পারে তা হচ্ছে, বিশ্ব আসরে বাংলাদেশকে কখনোই হারাতে পারেনি আফগানিস্তান। টি-২০ বিশ্বকাপে এক দশক আগের একমাত্র দেখায় বড় ব্যবধানে জিতেছিলো বাংলাদেশ।
ওয়ানডেতেও তিন দেখায় শতভাগ জয়। যদিও টি-২০ ফরম্যাটে এগিয়ে আফগানরা। এগারো দেখায় ব্যবধান ছয়-চার। বিশ্বকাপের সেমিতে খেলার তাই বড় সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। তবুও সম্ভাবনাটা বাংলাদেশের যতটা তারচেয়ে বেশি আফগানদেরই।
আর্নস ভ্যালের এই মাঠে বাংলাদেশ হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও নেপালকে। সেখানেই এরচেয়েও বড় কীর্তি গড়েছে রশিদ, নবি, গুলবাদিন নাইবরা। বিশ্ব ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়নদের হারানোর ধারাবাহিকতায় ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া।