এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১১ ওভারে পাঁচ উইকেটে ৬৩ রান।
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করেছে উইন্ডিজ। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ৮৭ রান।
.png)
লক্ষ্য তাড়ায় সাবধানী শুরু করে নিউজিল্যান্ড। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামে ফিন অ্যালেন ও ডেভন কনওয়ে। ইনিংসের শুরু থেকে দেখেশুনে খেলেন তারা। কিন্তু ভয় ধরানোর আগে কনওয়ের উইকেট ঝুলিতে ভরেন আকিল হোসেন।
পরে উইকেটে আসেন রাচিন রবীন্দ্র। এরপরেই আলজারি জোসেফের বলে আন্দ্রে রাসেলের তালুবন্দী হন অ্যালেন। আউট হওয়ার ২৬ করেন তিনি।
তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন কেন উইলিয়ামসন। তবে ব্যাট হাতে ফের ব্যর্থ হয়ে ফেরেন কিউই দলপতি। পরে উইকেটে এসে রবীন্দ্রকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ড্যারিল মিচেল। কিন্তু রবীন্দ্র (১০) আউট হলে তাদের জুটি ভেঙে যায়।
রবীন্দ্রর পরপরেই উইকেট বিলিয়ে দেন মিচেলও। পাঁচ উইকেট হারিয়ে কিছুটা দিশেহারা কিউইরা। তবে সেই চাপ সামলানোর চেষ্টায় জেমস নিশা ও গ্লেন ফিলিপস।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে উইন্ডিজ। দলটির হয়ে যথারীতি ইনিংস উদ্বোধনে নামেন জনসন চার্লস ও ব্রেন্ডন কিং। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটি ভাঙেন ট্রেন্ট বোল্ট। এতে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন জনসন।
পরে ক্রিজে এসে সাবধানে এগোতে থাকেন নিকোলাস পুরান। কিন্তু টিম সাউদির বলে উইকেটের পেছনে কনওয়ের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরের পথ ধরেন তিনিও। এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন ক্যারিবীয়রা। ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন রস্টন চেজ (০), রভম্যান পাওয়েল (১) ও ব্রেন্ডন কিং (৯)।
মাঝে অবশ্য আকিল হোসেন, আন্দ্রে রাসেল ও রোমারিওর ব্যাটে কিছু রান পায় উইন্ডিজ। আর শেষ মুহূর্তে রাদারফোর্ডের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে স্বাগতিকরা। তার অপরাজিত ৬৮ রানে ক্যারিবীয়দের ইনিংস থামে ১৪৯ রানে।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন ট্রেন্ট বোল্ট। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন টিম সাউদি ও লকি ফার্গুসন।