সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-২০ ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ। সেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তির পার্থক্য বুঝিয়েছে টাইগাররা। ম্যাচটিতে স্বাগতিকদের ১০৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০ উইকেটের বড় জয় পায় সফরকারীরা। সিরিজ হারলেও সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।
এদিন ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন টাইগার ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার ৫৮ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ দল ১০ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয়।
.png)
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে টাইগারদের প্রতিনিধি হয়ে আসেন জুনিয়র তামিম। এসময় তিনি বলেন, ‘ম্যাচ হারের পেছনে ভ্রমণক্লান্তি বা বেশি খেলা- এমন কিছুই ছিল না। আমরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেয়েছি। প্র্যাকটিসের সুবিধাও ভালোভাবে কাজে লাগাতে পেরেছি এবং প্রস্তুতি নিতে পেরেছি। তবে প্রথম দুই ম্যাচে আমরা আমাদের প্ল্যান কাজে লাগাতে পারিনি। আজকের ম্যাচে প্রত্যেক জায়গায় প্ল্যান কাজে লাগাতে পেরেছি। আগের দুই ম্যাচে প্ল্যান কাজে না লাগানোয় হেরেছি।’
বাঁহাতি এই ওপেনার বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে ৫৪ রান লাগত (আসলে ৫৫), সেখানে আমরা বোলাররা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের যে বোলিং করা উচিৎ ছিল, আমরা তা করতে পারিনি। পরের ম্যাচে আমাদের কম বলে কম রান দরকার ছিল, কিন্তু আমরা উইকেট হারাইছি। ওভারল আমাদের দলের যে প্ল্যান ছিল, যেভাবে খেলা উচিৎ ছিল, আমরা কেউই তা খেলতে পারিনি, এজন্যই দুই ম্যাচে আমরা হারছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ হারের পর দলের অবস্থা কেমন ছিল তা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আসলে হতাশ না, সবারই মন খারাপ ছিল, প্রত্যেকটা হারই খারাপ লাগে, সবার মন খারাপ ছিল। দুই ম্যাচে হারার পর আমরা সবাই মিলে বসে আলোচনা করেছি, কেন প্ল্যানটা কাজে লাগাতে পারছি না। আমরা সবাই মিলে শান্ত থাকার চেষ্টা করছি। আজকে এটাই চেষ্টা করেছি আমরা সবাই এসব পরিস্থিতিতে কীভাবে ঠাণ্ডা থেকে নিজেদের প্ল্যান কাজে লাগাতে পারি। আল্লাহর রহমতে সবাই আজকে সেটা করতে পারছে।’