একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে বেশ কয়েকবার আইসিসির নিয়ম ভঙ্গ করেছেন টমাস। এসবের প্রমাণ পাওয়ায় ৫ বছরের জন্য ক্রিকেটের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে তাকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টমাসের শাস্তির খবরটি জানিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। জানা গেছে, সবমিলিয়ে টমাসের সাতটি অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে আইসিসি।
.png)
আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক, ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার সুবাদে অনেক দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন ডেভন। তিনি জানতেন দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুসারে আবশ্যকীয়ভাবে কী কী পালনীয়। কিন্তু তিনটি ভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সেটা তিনি পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এই নিষেধাজ্ঞা খেলোয়াড় এবং দুর্নীতিবাজদের জন্য এই বার্তাটা বহন করবে যে আমাদের খেলায় এটি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হয়।’
২০২১ সালে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) ক্যান্ডি ওয়ারিয়র্সের হয়ে একটি ম্যাচই খেলেছিলেন টমাস। সেখানে ম্যাচ পাতানোর চেষ্টার দায়ে তার বিরুদ্ধে এসএলসি আইনের চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়।
এছাড়া এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আয়োজিত ২০২১ টি-১০ টুর্নামেন্টে জুয়াড়ির তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় আরেকটি অভিযোগ গঠন করা হয় টমাসের বিরুদ্ধে। আর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ২০২১ ও ২০২২ সালের দুটি ঘটনায় যোগ হয় আরো দুটি অভিযোগ।
টমাসের পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা গণনা হবে ২০২৩ সালের ২৩ মে সাময়িক নিষিদ্ধ ঘোষণার দিন থেকেই। তবে নিষেধাজ্ঞার শেষ ১৮ মাস স্থগিত থাকবে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের নভেম্বরে খেলায় ফিরতে পারবেন টমাস।