আগামী ১ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের তৃতীয় বড় মেগা ইভেন্ট হিসেবে বিবেচিত টি-২০ বিশ্বকাপ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ছাড়াও চলতি মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিনটি টি-২০ খেলবে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। খেলা দেখাবে টি-স্পোর্টস।
.png)
বিশ্বকাপের আগে এই আট ম্যাচ দিয়েই নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিতে চায় বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে শান্ত বলেন, ‘দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। ফলে এই সিরিজটি আমাদের প্রস্তুতির মঞ্চ। গুরুত্বপূর্ণ হল, আমরা কিভাবে নিজেদের প্রস্তুত করবো এবং কিভাবে আমরা নিজেদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বকাপের প্রস্তুতি আমাদের চিন্তায় থাকবে। আমরা এই সিরিজ জিততে চাই এবং আমাদের প্রথম লক্ষ্য এটাই। আমি মনে করি, এই সিরিজ দিয়ে আমরা নিজেদের ভুলগুলো ধরতে পারবো। ভুল সংশোধন করার জন্য আমাদের বেশি নজর দেওয়া উচিত।’
শান্ত বলেন, ‘সাধারণত যখন কোন প্রস্তুতি চলমান থাকে তখন দলগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকে। আমি মনে করি, কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দরকার নেই কারণ এই দলে যে ১৫ জন খেলোয়াড় আছে, তারা এই জিম্বাবুয়ের দলকে হারানোর সামর্থ্য রাখে।’
সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দিয়েছেন নির্বাচকরা। শান্ত বলেন, এই দুই খেলোয়াড় যোগ দিলে বিশ্বকাপ দল পরিপূর্ণ হবে। তার মতে, ইনজুরি ছাড়া দল পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা নেই।
শান্তর কথায়, ‘এই সিরিজের জন্য যে দলটি দেওয়া হয়েছে, এটিই মূলত বিশ্বকাপের দল। সাকিব এবং মুস্তাফিজ পরবর্তীতে যুক্ত হবে এবং এক বা দু’টি পরিবর্তন আসতে পারে। তবে আমি মনে করি, ইনজুরি এবং অন্যান্য সমস্যা বাদ দিয়ে এটিই মূল দল।’
শান্ত জানান, ১৮ মাস পর সাইফুদ্দিন দলে ফেরায় বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, ‘টি-২০ ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ হল লোয়ার অর্ডার জ্বলে ওঠা। আমাদের লোয়ার অর্ডারে রিশাদ, তাসকিন, শরিফুলরা ভালো ব্যাটিং করতে পারে এবং সাইফুদ্দিন যুক্ত হওয়ায় লোয়ার অর্ডার আরো শক্তিশালী হবে।’