সে মামলায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকেই জেলে বন্দী এই কিংবদন্তি রাইটব্যাক। মামলার রায় আলভেজের বিপক্ষে গেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সামাজিক অবস্থানও হারিয়েছেন আলভেজ।
৪০ বছর বয়সী আলভেজ দুই দফায় দীর্ঘ নয় বছর বার্সেলোনার জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন। ক্লাবটির সফলতম খেলোয়াড়দের একজন তিনি। গত দশকে বার্সেলোনার অকল্পনীয় সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন দানি। তাই ক্লাবটির কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের তালিকায় তার নামও ছিল।
.png)
তবে বার্সেলোনার কিংবদন্তিদের তালিকায় আলভেজের নামটি আর নেই। গত ২২ ফেব্রুয়ারি সেই ধর্ষণ মামলায় আলভেজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় বার্সেলোনার আদালত তাকে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেয়। সেই সঙ্গে দেড় লাখ টাকা জরিমানাও করা হয় আলভেজকে।
আলভেজের আইনজীবী ইনেস গার্দিওলা সে সময় জানিয়েছিলেন, আলভেজ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তিনি। এই মামলার রায় ঘোষণার পর বার্সেলোনা তাদের কিংবদন্তির তালিকা থেকে আলভেজের নাম মুছে দিয়েছে।
এমনটাই দাবি স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ডায়ারিও এএসের। বার্সেলোনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ক্লাব লিজেন্ড অংশে ক্লাবটির কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের নাম উল্লেখ করা আছে। এই লিস্টে মোট ১০২জন খেলোয়াড়ের নাম আছে।
তালিকাটিতে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা হুয়ান গ্যাম্পার থেকে শুরু করে লিওনেল মেসি, জর্দি আলবা, সার্জিও বুসকেটস, জেরার্ড পিকের নাম পর্যন্ত আছে। সাম্প্রতিক সময়ের কিংবদন্তিদের মধ্যে দানি আলভেজের নামও এই তালিকায় ছিল। কিন্তু সেখানে আর তার নাম দেখা যাচ্ছে না।
বার্সেলোনার হয়ে দুই স্পেলে মোট ৪০৮টি ম্যাচ খেলেছেন আলভেজ। কাতালান জায়ান্টদের হয়ে ছয়বার লা লিগা ও তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপাসহ অন্যান্য শিরোপাও জিতেছেন এই ব্রাজিলিয়ান। এছাড়া সেভিয়া, য়্যুভেন্তাস, পিএসজির মতো ক্লাবের জার্সিও গায়ে চাপিয়েছেন আলভেজ।
ব্রাজিলের হয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১২৬ ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন আলভেজ। সর্বশেষ মেক্সিকান ক্লাব পুমাসের হয়ে খেলার সময় তার বিরুদ্ধে এই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালে তাকে বার্সেলোনার পুলিশ গ্রেপ্তার করলে ক্লাবটি তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে।