ইউরোপিয়ান ক্লাব ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ল্যান্ডস্কেপের প্রতিবেদন জানিয়েছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে ইউনাইটেড স্কোয়াডের সর্বমোট মূল্য ছিল ১৪২ কোটি ২০ লাখ ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৮১১ কোটি টাকা।
তবে এই প্রতিবেদনে রাসমুস হয়লুন্দ, ম্যাসন মাউন্ট, আন্দ্রে ওনানা ও আলতাই বায়িনদিরদের ট্রান্সফার ফি ধরা হয়নি। তাদের জন্য ১৮ কোটি ইউরো খরচ করেছিল ওল্ড ট্রাফোর্ডের দলটি।
.png)
২০২২-২৩ ফুটবল মৌসুমে মোটা অঙ্কের ট্রান্সফার ফিতে ইংলিশ ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন এন্টনি ও ক্যাসেমিরো। সেই বছরে ১২৮ কোটি ৬০ লাখ ইউরো নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যের স্কোয়াড ছিল ম্যানসিটির।
২০২০ সালে ইউরোপের ফুটবলে সবচেয়ে দামি স্কোয়াডের রেকর্ড গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ১৩২ কোটি ইউরো নিয়ে দামি স্কোয়াড ছিল স্প্যানিশ পরাশক্তিদের। রিয়ালের স্কোয়াডের ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন এডেন হ্যাজার্ড, ফারল্যান্ড মেন্দি, লুকা জোভিচ, এদের মিলিতাও এবং রদ্রিগো গোয়েসরা।
ইউরোপিয়ান ক্লাব ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ল্যান্ডস্কেপ প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে সর্বোচ্চ আয় করা ক্লাবের তালিকায় শীর্ষে আছে রিয়াল মাদ্রি। সবচেয়ে বেশি ৮৪ কোটি ১০ লাখ ইউরো আয় করেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটিজেরদের আয় ৮৩ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। বার্সেলোনা ও পিএসজির আয় যথাক্রমে ৮১ কোটি ৫০ লাখ ও ৮০ কোটি ৭০ লাখ ইউরো।
তবে ইউরোপের সবচেয়ে দামি স্কোয়াড নিয়েও মৌসুমটা ভালো কাটেনি ইউনাইটেডের। প্রিমিয়ার লিগে এরিক টেন হাগের দল ২০২২-২৩ মৌসুমে শেষ করে তৃতীয় হয়ে। রেড ডেভিলদের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট এগিয়ে শিরোপা ঘড়ে তুলেছিল ম্যানচেস্টার সিটি।