অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে না চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে কম সমালোচনা শুনতে হয়নি রউফকে। প্রধান নির্বাচক ওয়াহাব রিয়াজ নিজে তার সমালোচনা করেছিলেন। টিম ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাফিজও আলাদাভাবে তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এমন অবস্থায় নাকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার কথাও ভেবেছিলেন পাকিস্তানের এ তারকা পেসার।
গত ডিসেম্বরে পাকিস্তান যখন অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলছিল, সে সময় অস্ট্রেলিয়াতেই ছিলেন রউফ। তবে টেস্ট নয়, বিগব্যাশ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। এ নিয়ে সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদিও মুখ খুলেছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ঘুরে পাকিস্তান এখন নিউজিল্যান্ড। দলের সঙ্গে আছেন রউফও, সিরিজের প্রথম দুই টি-২০তে খেলেছেন তিনি।
.png)
তবে পাকিস্তানি মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্লান্তিকে কারণ দেখিয়ে খেলতে রাজি না হওয়া রউফ সমালোচনায় এত বেশি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেই অবসরের কথা ভেবেছিলেন। তবে পরিবার ও কাছের বন্ধুদের পরামর্শে আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি ডানহাতি এ পেসারের।
গত ডিসেম্বরে নির্বাচক ওয়াহাব রিয়াজ দাবি করেছিলেন, টেস্ট খেলতে প্রথমে রাজি হন রউফ। কিন্তু পরে নাম কাটিয়ে নেন। পরে খবর আসে, রউফ নাকি কখনোই টেস্ট খেলতে রাজি হননি। এই পেসার বিশ্বকাপের সময়ই বলেছিলেন, এমন টানা খেলার ধকল নেয়া তার পক্ষে সম্ভব না।
কোচ মিকি আর্থারের খুব আগ্রহ ছিল অস্ট্রেলিয়ার উইকেটে রউফের পেস কাজে লাগানোর। কিন্তু কোচের অনুরোধকে পাত্তা দেননি হারিস। ক্যারিয়ারে মাত্র একটি টেস্ট খেলেছেন তিনি। সে টেস্টেই মাত্র ১৩ ওভার খেলে চোটে পড়েন। সে ভয়টা রয়ে গেছে রউফ।