কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালে রোনালদোকে শুরুর একাদশেই রাখেননি সান্তোস। দলের বিদায় আটকাতে না পেরে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। যা তখন ঝড় তোলে পুরো ফুটবল বিশ্বেই। এক বছরের বেশি সময় পরে পর্তুগিজ সুপারস্টারকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার কারণটা ব্যাখ্যা করেছেন সান্তোস।
মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রোনালদোকে বসিয়ে রাখার সে সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সান্তোসের ব্যাখ্যা, ‘এখানে অন্য কোনো সমস্যা ছিল না। কৌশলগত সিদ্ধান্তই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাকে সে সিদ্ধান্তগুলো নিতে হতো আর আমি সেগুলো সঠিকভাবে নিয়েছিলাম। আমরা যদি বিশ্বকাপ থেকে বাদ না পড়তাম, তাহলে কোনো সমস্যাই হতো না।’
.png)
কোয়ার্টার ফাইনালে মরোক্কোর সঙ্গে ম্যাচেও দলের সবচেয়ে বড় তারকার পরিবর্তে রামোসের ওপর বাজি ধরেন সান্তোস। কিন্তু তুরুপের তাস সেদিন কাজ করেনি। প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে পড়ে পর্তুগাল। দ্বিতীয়ার্ধের ছয় মিনিটেই রোনালদো মাঠে নামান সান্তোস। কিন্তু তাতে ফলে হেরফের হয়নি। এক গোলে হেরে কোয়ার্টার থেকে বিদায় নিতে হয় পর্তুগালকে।
একাদশের ব্যাপারে রোনালদোকে আগেই জানিয়েছিলেন সান্তোস। কিন্তু পর্তুগিজ সুপারস্টার সে সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারেননি, সেটাও উঠে এলো বেসিকতাস কোচের কথাতেই, ‘আমি তাকে (রোনালদো) বলেছিলাম, সে শেষ ষোলোতে একাদশে থাকছে না। সে এতে সন্তুষ্ট ছিল না। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমি এতটুকু বলতে পারি, সে (দল) ছেড়ে যেতে চায়নি।’
অনেকের মতে, মরোক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে পুরো সময় খেললে পর্তুগালের বিশ্বকাপ যাত্রাপথ ভিন্ন হতে পারত। এ নিয়ে সমালোচনার বাণে বিদ্ধ হতে থাকেন ৬৯ বছর বয়সী এ পর্তুগিজ কোচ। শেষমেশ জাতীয় দল থেকে তাকে ছাঁটাই করা হয়।