সোমবার দুবাইয়ে ছোটদের এশিয়া কাপে ‘গ্রুপ বি’-এর ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে জাপান। ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৭.১ ওভারে ৯৯ রানেই গুটিয়ে গেছে জাপানিরা। এতে টাইগারদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১০০ রান।
এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি। জাপানের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন আদিত্য ফাড় ও নিহার পারমার। ইনিংসের প্রথম ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে জাপান করে ৯ রান।
.png)
দ্বিতীয় ওভার থেকেই যেন রান করতে ভুলে যায় জাপান। পাওয়ারপ্লেতে (প্রথম ১০ ওভার) যেখানে হাত খুলে খেলার কথা, সেখানেই যে খোলসবন্দী হয়ে যায় জাপানের যুবারা।
প্রথম ৯ ওভারের মধ্যে ৫ ওভারই মেইডেন দিয়েছেন টাইগার যুবারা। যার মধ্যে ইনিংসের দ্বিতীয় ও অষ্টম ওভার মেইডেন দিয়েছেন মারুফ মৃধা। ইমন মেইডেন দিয়েছেন পঞ্চম ও সপ্তম ওভার। আর নবম ওভারে বোলিংয়ে এসে কোনো রান দেননি রাব্বি।
প্রথম ৯ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে জাপান করে ১৭ রান। দশম ওভারের চতুর্থ বলে আদিত্যর উইকেট নিয়ে জাপানের ১৭ রানেই উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন মারুফ। প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে ২০ রান করে জাপান।
প্রথম উইকেট পড়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন জাপানি অধিনায়ক কোজি আবে। তবে তিনিও বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি। ম্যাচের ১৪তম ওভারের প্রথম বলে আবেকে বোল্ড করেন রহনত দৌল্লাহ বর্ষণ।
দলপতির বিদায়ে জাপানের স্কোর হয়ে যায় ১৩.১ ওভারে ২ উইকেটে ২৩ রান। এরপর চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা কাজুমা কাতো স্ট্যাফোর্ড এবং দলটির ওপেনার নিহার পার্মার দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করেন। তবে রানের চাকা বাড়েনি জাপান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের।
ম্যাচের ২৮ তম ওভারের তৃতীয় বলে স্ট্যাফোর্ডকে লেগ বিফরের ফাঁদে ফেলেন আরিফুল ইসলাম। ওপেনার পার্মারও আউট হয়েছেন পরের ওভারেই। ২৯তম ওভারের প্রথম বলে পার্মারকে নিজের তালুবন্দী করেন রাব্বি। আউট হওয়ার আগে ৮০ বলে ২ চারে ১৮ রান করেন পার্মার।
এরপর ৩০ তম ওভারের চতুর্থ বলে আরিফুল নিয়েছেন সোতারো হিরাতসুকার উইকেট। পরে টাইগার যুবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত কাইফার লেক করেন ১৭ রান। তবে ম্যাচের ৪৫তম ওভারে তাকে সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ রিজওয়ান। তার বিদায়ে অল্পতেই গুটিয়ে যাওয়ার আভাস দেয় জাপানিরা।
শেষ পর্যন্ত স্কোরকার্ডে আর ১০ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে যায় জাপানের যুবারা। এদিন দলটির ৮ ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। টাইগারদের আগুনে বোলিংয়ে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েছিল তারা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেন মাহফুজুর রহমান ও আরিফুল ইসলাম।