মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সংগ্রহ চার উইকেটে ১১৫ রান। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১৭২ ও নিউজিল্যান্ড করেছে ১৮০ রান। বাংলাদেশের লিড ১০৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসান। তবে ম্যাচের শুরুতেই উইকেট বিলিয়ে দেন জয়। অ্যাজাজ প্যাটেলের ঘূর্ণিতে ২ রানেই থামেন এ ডানহাতি ব্যাটার।
.png)
তার বিদায়ে উইকেটে আসেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত। অতি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনিও নিজের ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হন। টাইগার দলপতিকে থামিয়েছেন কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। আউট হওয়ার আগে ১৫ রান করেন এ বাঁ-হাতি ব্যাটার।
এরপর ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক। তবে নিজের ব্যক্তিগত ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনি। অ্যাজাজ প্যাটেলের ঘূর্ণিতে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন এ ব্যাটার।
পরে বাইশ গজে আসেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্যাম্পেইনার মুশফিকুর রহিম। তবে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশি। স্যান্টরারের বলে আউট হওয়ার আগে ৯ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।
এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন টাইগার ব্যাটার। ব্যাট হাতে দুই অঙ্কের ঘর ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন শাহাদাত হোসেন দিপু (৪), মেহেদী হাসান মিরাজ (৩), নুরুল হাসান সোহান (০) ও নাঈম হাসানরা (৯)।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় লক্ষ্য থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। তবে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন টাইগার ওপেনার জাকির হাসান। তার ব্যাটেই শতরানের লিড পেরিয়েছেন স্বাগতিকরা।
এখন জাকির ৫৮ ও তাইজুল ৫ রানে ব্যাটিং করছেন।
এর আগে বৃষ্টি বাধায় তৃতীয় দিন লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নামে কিউইরা। এদিন টাইগারদের চেয়ে ১১৭ রানে পিছিয়ে থেকে উইকেটে আসেন ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস। উইকেটে এসেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তারা। তবে এ জুটিতে আঘাত হানেন নাঈম হাসান।
নাঈমের আঘাতে ভেঙে যায় মিচেল-ফিলিপসের ৪৯ রানের জুটি। এরপর ক্রিজে আসেন মিচেল স্যান্টনার। তবে থিতু হওয়ার আগেই নাঈমের বলে সোহানের তালুবন্দী হন এ ব্যাটার। এরপর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি মিচেল স্যান্টনার (১) ও কাইল জেমিসন (২০)।
অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে টাইগার বোলারদের তোপ সামলে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধ শতক তুলে নেন ফিলিপস। সুযোগ ছিল তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়ার। কিন্তু শরিফুলের পেসে পরাস্ত হয়ে ৮৭ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ে ৮ রান লিড নিয়েই গুটিয়ে যায় ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট শিকার করেন তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।