তবে মেসি জানিয়েছেন, মায়ামিতে খেলতে আসার আগে তিনি সৌদি প্রো লিগেও খেলার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডেভিড বেকহ্যামের অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারেননি বলেই চলে আসেন ইন্টার মায়ামিতে।
৩৬ বছরের মেসি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার যা বয়স, তাতে হাতের সামনে বেশ কয়েকটি সম্ভাবনা খোলা ছিল। এই সত্যটা অস্বীকার করব না। তবে সমস্ত সম্ভাবনা কতটা বাস্তবসম্মত অথবা আমি তাতে কতটা উপকৃত হতে পারি, সেটা নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
.png)
এরপর মেসি বলেন, ‘আমার প্রথম পছন্দ ছিল বার্সেলোনায় প্রত্যাবর্তন। কিন্তু সেটা এখনই সম্ভব নয় বলে তা নিয়ে বেশি ভাবিনি। তার পরে সৌদি প্রো লিগেও খেলব বলে অনেকটা সময় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেছিলাম। সৌদি আরব দেশটা আমার কাছে অজানা নয়। ওরা কিন্তু দারুণ ভাবে ফুটবল নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং আমি নিশ্চিত, ভবিষ্যতে সৌদি প্রো লিগ ভালো করবে।’
মেসি যোগ করেন, ‘শেষের দিকে সৌদি প্রো লিগ অথবা মেজর লিগ সকার, কোথায় খেলা উচিত তা ভাবতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম। দুটো লিগই সমান আকর্ষণীয়। আমি সৌদি আরবের পর্যটন দূত। ফলে সেই দেশটা আমাকে শুরু থেকে খুব আকর্ষণ করেছে।
তাছাড়া সৌদির পরিবেশটা আমার কাছে খুব শান্তিপূর্ণ বলেই মনে হয়েছে। তার উপরে ইউরোপের অনেক নামী ফুটবলার সৌদি প্রো লিগে খেলে বলে আমার মনে হয়েছিল, ওখানেও নিজেকে যাচাই করা যেতে পারে। কিন্তু পরে পরিস্থিতি পাল্টে গেল।’’
মেসি স্বীকার করেছেন, সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ডেভিড বেকহ্যামের অনুরোধ ফেলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ওর সঙ্গে আমার পরিচয় বহুদিনের। কিন্তু এমন একটা প্রস্তাব পেতে পারি, তা ভাবতে পারিনি। ধীরে ধীরে কথাবার্তা শুরু হয়।
ডেভিডের স্ত্রী ভিক্টোরিয়াও এই ব্যাপারে খুব উৎসাহী ছিল। আমিও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এমএলএসে খেলার বিষয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করি। একটা সময়ের পরে মনে হল, বেকহ্যামের অনুরোধকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা আমার নেই।’