চিকিৎসা করিয়ে মাথায় চুল গজিয়েছেন শামি। সেই দায়িত্ব নিয়েছেন ভারতের দুই চিকিৎসক প্রদীপ শেঠি ও আরিকা বনশল। তাদের মতে, শামির মতো খ্যাতনামাদের ক্ষেত্রে মাথাভর্তি চুল শুধু ভাল দেখানোর জন্য নয়, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শান্তির জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এতে তাদের ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। শেঠি বলেন, ‘শুধুমাত্র শারীরিক কারণে মাথার চুল পড়ে যায় তা নয়, তার নেপথ্যে মানসিক কারণও দায়ী। চুল কোনো মানুষের আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয়। যদি সেই ব্যক্তি খ্যাতনামা হন, তাহলে তো কোনো কথাই নেই।’
.png)
চিকিৎসকদের মতে, মনে কতটা স্থিরতা রয়েছে তার উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে। অনেকেই চুল পড়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। কিন্তু অনেকের কাছেই আবার মাথার চুল খুব গুরুত্বপূর্ণ। চুল নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান তারা।
মহেন্দ্র সিংহ ধোনি, বিরাট কোহলির মতো ক্রিকেটারদের দেখা যায়, নানা কায়দায় চুল কাটাচ্ছেন। শামির মাথায় চুল গজানোর পরে তার আত্মবিশ্বাস আরো বেড়েছে বলে জানিয়েছেন শেঠি।
তিনি বলেন, ‘যারা চিকিৎসা ঠিকভাবে করান ও আমাদের বলা নিয়ম মেনে চলেন তারা সুফল পান। শামির ক্ষেত্রেও সেটা হয়েছে।শামি নিজে আমাদের বলেছেন, মাথায় চুল গজানোর পরে তার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে।’
মাথায় চুল গজানোয় খুশি শামি। সে কথা প্রকাশ্যে বলেছেন তিনি। ভারতীয় ক্রিকেটার বলেন, ‘আমি ভাবতে পারিনি এতটা উন্নতি সম্ভব। চিকিৎসকেরা আমার খেয়াল রেখেছেন। প্রয়োজনীয় সব কিছু করেছেন। আমার এই বদলে আমি খুব খুশি।’