অন্যদিকে সেমির আশা আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় শ্রীলংকার লক্ষ্য এখন ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা। এজন্য নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে বিশ্বকাপ শেষ করার লক্ষ্য লংকানদের।
ব্যাঙ্গালুরুতে আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে এই দু’দল।
.png)
৮ ম্যাচে ৪টি করে জয় ও হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থস্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। তাদের সঙ্গে ৮ খেলায় সমান ৮ করে পয়েন্ট নিয়ে সেমির দৌঁঁড়ে আছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানও। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে তিন দলই জিতলে পয়েন্ট হবে সমান ১০ করে।
তখন রান রেট বিবেচনায় এগিয়ে থাকা দল সেমিকে খেলার সুযোগ পাবে। তিন দলই যদি নিজেদের ম্যাচগুলো হেরে যায়, তখনও রান রেট বিবেচনা করা হবে। লিগ পর্বের শেষ রাউন্ডে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড এবং আফগানিস্তান খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।
অন্য দলের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে শেষ ম্যাচ থেকে পূর্ণ ২ পয়েন্ট অর্জনই নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য। প্রথম চার ম্যাচ জিতে দাপটের সঙ্গে বিশ্বকাপ শুরু করেছিলো দলটি। এরপর পারফরমেন্সের ছন্দপতন ঘটে কিউইদের। টানা চার ম্যাচে হেরে যায় তারা।
এদিকে হ্যাটট্রিক হারের পর টানা দুই ম্যাচ জিতে লড়াইয়ে ফেরে শ্রীলংকা। কিন্তু ফের হ্যাটট্রিক হারের বৃত্তে বন্দি হয়ে বিশ্বকাপের সেমিতে খেলার স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয় লংকানদের। সর্বশেষ ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ৩ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় তারা।
এখন ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি টুর্নামেন্টের দিকে নজর লংকানদের। ঐ আসরে খেলতে হলে বিশ্বকাপে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ আটের মধ্যে থাকতে হবে। বর্তমানে ৮ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টমস্থানে আছে তারা।
শেষ ম্যাচে হেরে গেলে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সুযোগ হারানোর শঙ্কায় পড়বে শ্রীলংকা। জয় পেলে ভালো অবস্থায় থাকবে তারা। তারপরও অন্যান্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে লংকানদের।
এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ১০১বার মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলংকা-নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে শ্রীলংকার জয় ৪১টিতে, নিউজিল্যান্ডের জয় ৫১টিতে। ১টি ম্যাচ টাই ও ৮টি পরিত্যক্ত হয়েছে।
বিশ্বকাপে ১১ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বিশ্ব মঞ্চে জয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে শ্রীলংকা। ৬টিতে জিতেছে তারা। ৫টিতে জয় আছে কিউইদের।
গত মার্চে শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলংকা ও নিউজিল্যান্ড। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
শ্রীলংকা দল: কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), কুশল পেরেরা, পাথুম নিশাঙ্কা, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালঙ্কা, ধনঞ্জয় ডি সিলভা, মহেশ থিকসানা, দুনিথ ওয়েল্লালাগে, দুশান হেমন্ত, চামিকা করুনারত্নে, দুশমন্থ চামিরা, দিলশান মধুশঙ্কা, কাসুন রাজিথা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ।
নিউজিল্যান্ড দল: কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ট্রেন্ট বোল্ট, মার্ক চাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, লকি ফার্গুসন, কাইল জেমিসন, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, টম লাথাম, রাচিন রবীন্দ্র, মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি, টিম সাউদি, উইল ইয়ং।