ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩

টাইগারদের ‘গোমর’ ফাঁস করলেন সুজন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১:৪০, ১৬ অক্টোবর ২০২৩
টাইগারদের ‘গোমর’ ফাঁস করলেন সুজন
ছবি- সংগৃহীত

টানা হারের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলাদেশ দল। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলেও পরের দুই ম্যাচে জয়বঞ্চিত রয়েছে টাইগাররা। পরপর দুই ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে টিম টাইগার্সের ব্যাটিং ব্যর্থতাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাকিব-মিরাজদের ‘ব্যাটিং অর্ডার’।

চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। যার সবকটি ম্যাচেই দলের ব্যাটিং অর্ডারে এসেছে রদবদল। আর এর পুরো দায় টাইগার কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে এবং সাকিব আল হাসানকে দিচ্ছেন বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিন নম্বরে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্ত নামেন চারে। এই ম্যাচটি জিতে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনে নামতে দেখা যায় শান্তকে। সেদিন চার নম্বরে নামেন অধিনায়ক সাকিব নিজেই। আর মিরাজের জায়গা হয় পাঁচ নম্বরে। 

Advertisement

এই ম্যাচ হারের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আবার আগের লাইন-আপে ফিরে যায় বাংলাদেশ। এবার তিনে মিরাজ ও চারে নামেন শান্ত। যদিও পরাজয় এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।

ব্যাটিং অর্ডারে ঘনঘন এমন পরিবর্তনের পক্ষে নন সুজন। বিশেষ করে কোনো পজিশনে বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যাটারের পজিশন পরিবর্তন করতে চান না তিনি। যদিও কোচ এবং অধিনায়কের সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রাখতে বলছেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

সুজন বলেন, ‘আমি মনে করি সুনির্দিষ্ট ব্যাটিং পজিশন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কেন বলি বিশেষজ্ঞ? ঠিক না? ওপেনার বিশেষজ্ঞ, তিন নম্বরের বিশেষজ্ঞ এভাবে বলে। মিরাজ কিছু জায়গায় সফল হয়েছে। তবে আমদের ব্যাটিং অর্ডার যেহেতু লম্বা সেটা নিয়ে একটা পরিকল্পনা থাকতে পারে (কোচ ও অধিনায়কের)।’

'তবে আমি মনে করি, শান্ত কখনো বলেনি সে তিন, চার বাঁ পাঁচে খেলবে না। দলের প্রয়োজনে ওকে হয়ত খেলতে হতেও পারে। তবে যেটা প্রশ্ন ছিল, শান্ত গত এক-দেড় বছর ধরে তিনে ব্যাটিং করছে সব ফরম্যাটে। এটা হয়ত তার লে-আউট পজিশন। আমি বিস্মিত হই বা না হই, এটা অধিনায়ক-কোচের সিদ্ধান্ত। আমাদের এটাকেই সঠিক ধরে এগিয়ে যেতে হবে।'-যোগ করেন সুজন।

শুধু টপ অর্ডারই নয়, বাংলাদেশ দলের লোয়ার মিডল অর্ডার নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। তাওহীদ হৃদয়ের সাতে নামা কিংবা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের আটে নামা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সুজন আরো বলেন, ‘ওয়ানডেতে এমন একটা অবস্থা থাকে মাঝেমধ্যে আপনাকে পরিবর্তন আনতে হয়। মিরাজ আর শান্তর যে ব্যাপারটা থাকে আমরা অনেক সময় বাঁহাতি- ডানহাতি চিন্তা করে.. কোচ-অধিনায়ক সেভাবে চিন্তা করছে। অনেক সময় এটা প্রয়োজনীয় না। আর হৃদয়ের ব্যাপারটা হচ্ছে আমরা যেহেতু সাকিবে পাঁচে খেলাচ্ছি, মুশফিককে ছয়ে খেলাচ্ছি, হৃদয় সাতে যাবে এটাই তো স্বাভাবিক।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!