দুই ম্যাচ খেলেই তিক্ত অভিজ্ঞতা পাথিরানার। দুই ম্যাচে ১৯ ওভার বল করে দিয়েছেন ১৮৫ রান। আর ১৫ রান খরচ করলেই ২০০ রানের কোটা পূরণ করতেন তিনি।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১০ ওভারে দেন ৯৫ রান। উইকেট নিতে পেরেছেন মাত্র ১টি। মারকরাম, ভ্যান ডার ডুসেন, ডি ককরা তাকে বেদম মার মেরেছেন। সেই ম্যাচে ১০টি চার ও ২টি ছক্কার মার খান তিনি।
.png)
দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষেও বেশ খরুচে এ পেসার। ৯ ওভারে ৯০ রান দেন তিনি। এ ম্যাচেও তার বলে ৮টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা।
পাথিরানার বর্তমান ফর্ম যাচ্ছেতাই। শেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৩১ রান, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮ ওভারে ৬৫ রান, ভারতের বিপক্ষে ২ ওভারে ২১ রান, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১০ ওভারে ৯৫ রান ও সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯০ রান দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া সর্বশেষ ১২ ম্যাচের ১০টিতেই তিনি ওভারপ্রতি ৬ এর বেশি রান দিয়েছেন। ওয়ানডে ইতিহাসে ১০ উইকেট পাওয়া বোলারদের ভেতর সবচেয়ে বেশি ওভারপ্রতি রান (৭ এর বেশি রান) দেওয়ার রেকর্ডও তার দখলে।
পাথিরানার বোলিংয়ের আরো সমস্যা হচ্ছে তিনি অনেক অতিরিক্ত রান দেন প্রতি ম্যাচে। এখন পর্যন্ত তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তিনি ওভারপ্রতি ১ দশমিক ২৬ রান করে অতিরিক্ত দিয়েছেন। ওয়ানডে বোলিং ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১০০ এর বেশি অতিরিক্ত দেওয়া হয়ে গেছে পাথিরানার।
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বলছে, পাথিরানার বাজে বোলিংয়ের কারণে বেশ ভালোভাবেই ভুগতে হচ্ছে শ্রীলংকাকে।