বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে সুযোগ পেয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৯৭ বলে ১০৩ রান করে ওয়ার্ল্ডকাপে মেইডেন সেঞ্চুরি করেন শফিক। মাথিশা পাথিরানার বলে বাউন্ডারি মেরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি করেন পাকিস্তানি এ ব্যাটার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩২ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। পিচে আছেন আবদুল্লাহ শফিক (১০৮) ও মোহম্মদ রিজওয়ান ( ৬৭ ) রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে লংকানদের দেয়া ৩৪৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই আউট হয়েছেন ইমাম উল হক। এ সময় তিনি করেন ১২ বলে ১২ রান। পাকিস্তানের দলীয় ৩.৩ ওভারে দিলশান মধুশানাকার বলে কুশল পেরেরা হাতে ক্যাচ তুলে প্যাভিলিয়নের পথে হেঁটেছেন পাকিস্তানি এই ব্যাটার।
.png)
এর আগে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর একাদশে দুই দলই একটি করে পরিবর্তন এনেছে। কাসুন রাজিথা,পরিবর্তে রহস্যময় স্পিনার মহেশ থিকসানা একাদশে নিয়েছে শ্রীলংকা। আর অফফর্মে থাকা ফখর জামানের পরিবর্তে পাকিস্তান দলে এসেছেন আব্দুল্লাহ শফিক।
টসে জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১.৪ ওভারে রানের খাতা খোলার আগে ফিরেন লংকান ব্যাটার কুশল পেরেরা। হাসান আলির বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে সাঝঘরে ফিরেন তিনি। এরপর মাঠে নামেন কুশল মেন্ডিস। দেখে শুনে খেলে চাপ কাটিয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক পূর্ণ করেন কুশল মেন্ডিস।সেঞ্চুরি করার কিছুক্ষণ পরে আউট হয়েছেন তিনি। যাওয়া আগে ৭৭ বলে ১২২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন কুশল।
এরপর মাঠে নামেন চারিথ আসালঙ্কা। তিনিও বেশি রান করতে পারেননি। ব্যক্তিগত ১ রানে আউট হয়েছেন আসালঙ্কা। দলীয় ৩০.১ ওভারে আউট হয়েছেন ধনঞ্জয় ডি সিলভা। ২৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিনি। অধিনায়ক দাসুন শানাকা শেষ দিকে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাবরে হাতে ক্যাচ তুলে প্যাভিলিয়নের পথে হাটা দেন।
এদিকে উইকেটে যাওয়া-আসা করলেও অন্যপ্রান্ত টিকে ছিলেন সাদিরা সামারাবিক্রমা। দেখে শুনে খেলে ক্যারিয়ারে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চরি তুলেন নেন তিনি। হাসান আলির শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ডাবল ফিগারে প্রবেশ করলেন লংকান এই ব্যাটার।
সেঞ্চুরির করার পর বেশিক্ষণ পিচে থাকতে পারেননি সাদিরা। দলীয় ৪৭ ওভারে হাসান আলির শেষ বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে সাঝঘরে ফিরেন তিনি। এ সময় তিনি করেন ৮৯ বলে ১০৮ রান। শেষ দিকে লংকান ব্যাটারদের মধ্যে কেউ আর দাঁড়াতে পারেননি। ফলে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রান সংগ্রহ করে লংকান বাহিনী। ফলে পাকিস্তানের টার্গেট দাঁড়ায় ৩৪৫ রান।
পাকিস্তানের হয়ে এদিনে ৪ উইকেট নেন হাসান আলি। এতে তিনি খরচ করেন ৭১ রান। জোড়া উইকেট নেন হারিস রউফ। বাকি একটি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খান।