আজ ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক খেলা কিংস। ১৪ মিনিটে সহজ সুযোগ মিস করেন দোরিয়েলতন গোমেজ। সতীর্থের লং ক্রস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে যান তিনি। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা।
পরের মিনিটে বালবানোভিচের সেই চোখ ধাঁধানো গোলে এগিয়ে যায় মাজিয়া। বক্সের বাইরে বল পজিশন হারায় কিংস। বক্সের বেশ বাইরে বল পেয়েই ডান পায়ের বুলেট গতির লং শটে দলকে এগিয়ে দেন বালবানোভিচ।
.png)
বিরতির পর গোল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে কিংস। একের পর এক আক্রমণে মাজিয়ার ডিফেন্সের কঠিন পরীক্ষাই নিচ্ছিলেন দোরিয়েলতন-রাকিব-মেরাসালিনরা।
ম্যাচের ৫৭ মিনিটে বসুন্ধরা কিংসকে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত করেন মাজিয়ার গোল রক্ষক হোসেন শরিফ। দোরিয়েলতন গোমেজ বক্সের ভেতর দুই ডিফেন্ডারকে ধোঁকা দিয়ে ক্রস করেন রাকিবের উদ্দেশে। রাকিবের হেড অতিমানবীয় দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন হোসেন শরিফ। ফিরতি বলে সাদের হেড গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে দলকে রক্ষা করেন সেবাস্তিয়ান অ্যান্তেজ।
উল্টো ৬৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করে মাজিয়া। ফ্রি কিক থেকে উড়ে আসা বল হেডে ক্লিয়ার করতে চেষ্টা করনে দোরিয়েলতন; এরপর রাকিবের হেড। সেখান থেকে আবারও দোরিয়েলতনের হেড থেকে বল পেয়ে যান বদলি নামা হাসান নাজীম। আচমকা শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
৭৮ মিনিটে রবসনের ক্রস থেকে দোরিয়েলতনের হেড ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। ৮৩ মিনিটে সোহেল রানার গতিময় শটও উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। পরের মিনিট দোরিয়েলতেনর হেড সহজেই তালুবন্দী করেন মাজিয়া গোলরক্ষক।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে আলি ফাসিরের গোলে ব্যবধান ৩-০ করে মাজিয়া। পরের মিনিটে ইব্রাহিমের গোল শুধুই ব্যবধান কমায় কিংস। হেড থেকে মাজিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ইব্রাহিম।
আগামী ২ অক্টোবর কিংসের ঘরের মাঠে তাদের প্রতিপক্ষ ভারতের দল উড়িষ্যা এফসি। এ ম্যাচে অবশ্য ঘুড়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে বসুন্ধরা কিংস।