অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেও একটি গোল করেছিলেন। তবে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। ম্যাচের শেষভাগে স্বাগতিকদের হয়ে শেষ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন ওসমানে ডেম্বেলে। তবে পোস্টে লেগে সেটি দিক পরিবর্তন করে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে পায়ের গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েছেন ফরাসি তারকা অলিভার জিরুদ। এ নিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইপর্বে টানা পঞ্চম জয়ের দেখা পেল ফ্রান্স। ১৫ পয়েন্ট আদায়ের পাশাপাশি গত বিশ্বকাপ রানার আপরা এখনো কোনো গোল হজম করেনি।
.png)
নেদারল্যান্ডসের চেয়ে গ্রুপে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। তিনি বলেন, ‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এখনো এই অভিযানে আমরা শতভাগ সফল। তবে এমন খ্যাতি নিয়েই আমরা বসে থাকতে চাই না।’
ম্যাচের ১৯ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ফরাসিরা। ডি-বক্স থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের ব্যাকপাস থেকে জোরালো শট নেন চুয়ামেনি। বল জড়ায় জালে। লাফিয়েও বলের নাগাল পাননি আইরিশ গোলরক্ষক।
৪৮ মিনিটে গোলের মালিক হতে পারতেন এমবাপ্পেও। কিন্তু ডিফেন্ডারদের বাঁধায় ডি-বক্স থেকে নেয়া তার শটটি সঠিক ঠিকানায় পৌঁছেনি। তবে বলটি পেয়ে যান সতীর্থ থুরাম। তার জোড়ালো শটের বল ফেরাতে পারেনি আইরিশ গোলরক্ষক।
তিন মিনিট পর গোল পরিশোধের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আয়ারল্যান্ড। সতীর্থের ক্রসে বল প্রতিপক্ষের পোস্টের একেবারে সামনে পেয়েও জুতসই হেড দিতে পারেননি চিডোজি ওগবেনে।
সেই বলটি কোন রকমে ঠেকিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গত বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা। এ নিয়ে ইউরো বাছাইয়ে ‘বি’ গ্রুপে টেবিলের শীর্ষেই আছে এমবাপ্পের দল।