আজ খেলার ৩ মিনিটে সোলাঙ্কে বল পেয়েছিলেন। লিভারপুলের ডি বক্সের ভেতরে গোলের সুযোগ ছিল। কিন্তু দখল রাখতে পারেননি। তবে তার আগে দৌড়ে এসে অ্যান্তোনি সেমিউনো দারুণ এক শটে অ্যালিসন বেকারকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান।
শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস পেয়ে যায় সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের ক্লাব বর্নমাউথ। তবে অতি আত্মবিশ্বাসী বোধহয় কাল হয়ে দাঁড়াল তাদের জন্য। যার প্রমাণ মিলে ২৭ মিনিটে। খেলার লুইজ দিয়াজ দারুণ এক বাইসাইকেল কিকে গোল করে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান (১-১)।
.png)
এক গোলেই যেন প্রাণ ফিরে পায় চ্যাম্পিয়নস লিগের সাবেক শিরোপাজয়ীরা। তারপর এগিয়ে যেতেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। প্রথম গোলের ৮ মিনিট পর পেনালটি পায় লিভারপুল। সেই শটটি নেন মোহাম্মদ সালাহ। সেটা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বর্নমাউথ গোলকিপার নেটো। কিন্তু ফিরতি শটে গোল পেয়ে দলকে এগিয়ে নেন মিশরীয় এই ফুটবলার।
শুরুতে পিছিয়ে গেলেও শেষে এগিয়ে গিয়ে বিরতিতে যায় লিভারপুল। বিরতিতে থেকে ফিরেই দুর্যোগ রেডদের। লাল কার্ড দেখেন ম্যাক অ্যালিস্টার। ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইয়র্গেন ক্লপের শিষ্যরা। কিন্তু তাতেও ভেঙে পড়েনি। চার মিনিট পরই গোল পেয়ে যায় তারা। খেলার ৬২ মিনিটে গোল করেন দিওগো জোটা। বাকি সময়ে গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।
এর আগে লিগে প্রথম ম্যাচে চেলসির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল লিভারপুল। আজ পেল বড় জয়।