ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

১৩ বছর বয়সেই পেশাদার ফুটবলার!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:৩৭, ৯ আগস্ট ২০২৩
১৩ বছর বয়সেই পেশাদার ফুটবলার!
দা’ভিয়ান কিমব্রো

প্রতি মৌসুমেই তরুণ খেলোয়াড়দের নিজ ডেরায় নিতে ব্যস্ত থাকে ক্লাবগুলো। ভবিষ্যৎ তারকাদের আগেভাগে দলে নিতে ক্লাবগুলো ব্যস্ত থাকে নিয়মিত। তবে দলবদলের পাগলাটে বাজারে উঠতি তারকাদের আকাশচুম্বী দাম ক্লাবগুলোকে কৈশোর পেরোনো ফুটবলারদের প্রতি নজর দিতে বাধ্য করছে।

এই যেমন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো গোয়েস ও এনদ্রিকদের ১৭ পেরোনোর আগেই কিনে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। জার্মানি থেকে কদিন আগেই বার্সেলোনা নিয়ে এসেছে ১৬ বছর বয়সী নোয়াহ ডারভিচকে। চেলসি, ম্যানচেস্টার সিটির মতো প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোও কিশোর ফুটবলারদের নিয়মিত চুক্তিবদ্ধ করছে।

ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে এসব কিশোরের ভিড়ে দা’ভিয়ান কিমব্রোর চুক্তি চমক জাগাতে বাধ্য। মাত্র ১৩ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে পেশাদার চুক্তি দিয়েছে স্যাক্রামেন্তো রিপাবলিক। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে কমবয়সী পেশাদার ফুটবলার এখন কিমব্রো।

Advertisement

মাদ্রিদ বা বার্সেলোনা নিয়মিতই তরুণ ফুটবলারকে দলে টানে। চেলসির অধীনে থাকা তরুণ প্রতিভার সংখ্যা অন্য সবার চেয়ে বেশি। তবে এসব চুক্তিতে একটি মিল আছে, সবক্ষেত্রেই খেলোয়াড়ের বয়স অন্তত ১৬ বছর থাকে। নিয়ম অনুযায়ী ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকায় এর চেয়ে কম বয়সে পেশাদার চুক্তি করা যায় না।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এমন কোনো নিয়ম নেই। দেশটির ফুটবলের দ্বিতীয় স্তরের দল স্যাক্রামেন্তো সে সুযোগটাই নিয়েছে। ১৩ বছর ৫ মাস ১৩ দিন বয়সে প্রথম পেশাদার চুক্তি করেছেন কিমব্রো। ২০২১ সালে এই ক্লাবের একাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

১১ বছর বয়সেই অনূর্ধ্ব-১৩ দলে খেলা এই ফরোয়ার্ড ৩১ ম্যাচে ২৭ গোল করেছেন। পরের বছর অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৫ পর্যায়ে ৫০ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। এর আগে গত জুনে নিউ ইয়র্ক রেড বুলস একাডেমির অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে বেলজিয়ামে খেলতে গিয়েছিল কিমব্রো। 

ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলোর বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৩ বয়সীদের সে টুর্নামেন্টে চমক জাগিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কিশোর। রেডবুলকে শিরোপা এনে দেওয়ার পথে ৬ গোল করে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হন তিনি। তখনই জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের শীর্ষ পর্যায় অর্থাৎ এমএলএস নয়, ইউরোপেই ক্যারিয়ার গড়তে চান।

স্যাক্রামেন্তো তাই ঝুঁকি নেয়নি। ১৩ বছর বয়সী এক ফুটবলারকেই পেশাদার চুক্তি দিয়ে দিয়েছে। যেন এমন রত্নকে চাইলেই প্রলুব্ধ করে নিয়ে যেতে না পারে ইউরোপের কোনো ক্লাব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!