রোববার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামে নেপালের মেয়েরা। যেখানে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। এতে ম্যাচটি গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে ৪-২ ব্যবধানে স্বাগতিকদের হারিয়েছে সফরকারীরা।
নেপালকে হারাতে এদিন অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। সফরকারীরা ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল বেশি। তাদের ফরোয়ার্ড সাবিত্রা ভান্ডারী বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছিলেন। পক্ষান্তরে বাংলাদেশও গোলের সুযোগ পেয়েছিল৷ তবে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি সাবিনারা।
.png)
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলাদেশ তিনজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করে৷ রিতুপর্ণা চাকমা, সুমাইয়া, রিপাকে নামান কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু। অবশ্য খেলোয়াড় পরিবর্তন করেও ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি বাংলাদেশ।
গত ম্যাচে বাংলাদেশ ইনজুরি সময়ে গোল হজম করে ম্যাচ ড্র করেছিল। আজ ইনজুরি সময়ে গোলের সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ মুহূর্তের সেই সুযোগটিও হাতছাড়া হয়ে যায় বাংলাদেশের। এতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারে নেপাল প্রথম শট নেয়। সাবিত্রা ভান্ডারী প্রথম শটেই গোল করেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা ঝাপিয়ে ধরতে পারেননি। বাংলাদেশের শামসুন্নাহারের শটও গোল হয়। গোলরক্ষক রানা মাগার বলের দিকে ঝাঁপিয়েও ধরতে পারেননি।
এরপর নেপালের হীরা কুমারী গোল করেন। শিউলি আজিমের শট রানা মাগার রুখে দেন। এবার গোলরক্ষক রানা মাগার নিজেই শট নেন। সাইড পোস্টে লেগে বল বাইরে চলে যায়৷ মারিয়া মান্দার শট রানা মাগার সেভ করেন। নেপালের দীপা ও বাংলাদেশের মনিকা গোল করেন। নেপাল পঞ্চম শটে গোল করলে বাংলাদেশ হেরে যায়।
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে নেপালের কাঠমান্ডুতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জিতে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। দশ মাস পর সেই নেপালের বিপক্ষেই ঘরের মাঠে সিরিজের ট্রফি হারালেন সাবিনা-সানজিদারা।