লংকানদের ৩৪৯ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও তানজিদ হাসান তামিম। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি নাঈম। ২৫ বলে দুই ছক্কা ও এক বাউন্ডারিতে ২২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।
আরেক প্রান্তে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৩৭ বলেই ফিফটি তুলে নেন তামিম। কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৩৯ বলে ১১ চারে চামিকা করুণারত্নের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এ ব্যাটার। ২৪ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৬ রান করে জাকির হাসান আউট হলে জেতার আশা কঠিন হয়ে যায় বাংলাদেশের।
.png)
অধিনায়ক সাইফ হাসান চেষ্টা করেছিলেন দলের সংগ্রহ বাড়াতে। কিন্তু ৪৬ বলে ৪ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় ৫৩ রান করে ফেরেন তিনিও। টাইগারদের হয়ে ইনিংসের শুরুটা মোটামুটি ভালো করেছিলেন প্রায় সব ব্যাটারই। একমাত্র আকবর আলী ফিরেছেন গোল্ডেন ডাক মেরে।
পরে মাহেদী হাসান ও সৌম্য সরকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাদের দুজনের লড়াই জেতার জন্য যথেষ্ট হয়নি। সৌম্য করেন ৪৬ বলে ৪২ রান, মাহেদীর ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ৩১ রান। শেষের দিকে একাই লড়েছিলেন রাকিবুল ইসলাম। কিন্তু তার ৩৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস শুধু বাংলাদেশের হারের ব্যবধানে কমিয়েছে।
শ্রীলংকার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট শিকার করেন দুশান হেমন্থা ও প্রমদ মাধুসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেন দুই লংকান ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ও লাসিথ ক্রসপুলে। ৭ ওভারের শেষ বলে শেখ মাহেদীর বলে লাসিথ আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ।
এরপর মিনোদ ভানুকাকে নিয়ে ১২৫ রানের জুটি গড়েন ফার্নান্দো। ৫৫ বলে ৪ বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় ৫৭ রান করা ভানুকাকে আউট করে সেই জুটি ভাঙেন পেসার রিপন মন্ডল। এরপর আরো একটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান এই পেসার।
কিন্তু এরপর উইকেটে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা। মাত্র ৩২ বল খেলে ৪ বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় ৪৩ রান করেন তিনি। দলীয় ২৭১ রানে সেঞ্চুরি করা ফার্নান্দোকে ফেরান সৌম্য।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলের সংগ্রহ তিনশোর্দ্ধ করেন আসেন বান্দারা ও দুনিথ ওয়েলালাগে। ২৫ বলে ৩৫ রান করা বান্দারাকে ফেরান সৌম্য। বাংলাদেশের হয়ে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন পেসার রিপন ও সৌম্য। ১টি করে উইকেট নেন মাহেদী হাসান ও রাকিবুল ইসলাম।