শনিবার (২৭মে) তাকে ছাড়াই অনুশীলনে নেমেছিল বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের ফুটবলাররা। অনুশীলনে ছোটন না থাকায় তাকে কাজে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছিলেন বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। কিন্তু সেই অনুরোধে সাড়া দেননি ছোটন। তিনি বলেন, ‘কিরণ আপা আমার অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ। তার প্রতি আমার সম্মান ও ভালোবাসা আগের অবস্থানেই রয়েছে, তবে আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল।’
কিরণ ছাড়াও বাফুফের অন্যান্য স্টাফরাও ছোটনকে কাজে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছেন। সবার অনুরোধই না জানিয়েছেন তিনি।
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন অনুরোধ করলেও তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করবেন না বলে জানান, ‘সভাপতি অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, কিন্তু আমার ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। আমি আর কাজ করতে চাই না। সেই অবস্থানেই থাকব।’
.png)
মে মাসের শেষ সপ্তাহ চললেও, এখনও এপ্রিল মাসের সম্মানী পাননি ছোটন। ৩১ মে পর্যন্ত তিনি ফেডারেশনের সঙ্গে থাকলেও অনুশীলনে যাবেন না। আগামীকাল বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির অনুষ্ঠানে সেরা কোচের পুরস্কার গ্রহণের পরদিন (২৯ মে) ফেডারেশনে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের ফুটবলের সেরা এই কোচ।