সম্প্রতি পায়ে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন সাদ। তার পুরোপুরি ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে দুই-তিন মাস সময় লাগবে। স্বাভাবিকভাবেই সাদের পক্ষে আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সাদের ইনজুরিকে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও সহকারী কোচ হাসান আল মামুন। তিনি বলেন, ‘সে আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। আমরা যে মডেলের ফুটবল খেলি সে এতে অত্যন্ত কার্যকরী। তার ইনজুরির যে অবস্থা জানলাম এতে আমরা তাকে মিস করতে যাচ্ছি মনে হচ্ছে।’
.png)
সাদ উদ্দিন নির্ভরযোগ্য ফুটবলার হলেও গত কয়েকটি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ তার ভুলের খেসারত দিয়েছে। বিশেষ করে ২০২১ সালে মালে সাফে সাদের এক ফাউলে পেনাল্টি পায় নেপাল। সেই পেনাল্টি থেকে গোল হজম করে বাংলাদেশের ফাইনাল যাওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।
সাদের বিকল্প নিয়ে জাতীয় দলের হেড কোচ হ্যাভিয়েরের সঙ্গে আলাপ করার কথা জানিয়েছেন মামুন, ‘সাদের সবশেষ অবস্থা এবং সম্ভাবনার বিষয় জানার পর হেড কোচ স্কোয়াডে খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্তি এবং ভিন্ন পরিকল্পনা সাজাবেন। আমাদের বিকল্প খেলোয়াড়ও রয়েছে।’