বুধবার নিষিদ্ধ হওয়ার একমাস পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন সোহাগ। বিকেল চারটায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংবাদিকদের অথ্যাক্সি কমিটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্ভবত এখন অথ্যাক্সি কমিটি নেই।’
অথচ গত ১৭ এপ্রিল বাফুফের জরুরি সভা শেষে সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘ফিফা তাকে (সোহাগ) দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আমাদের আজকের সভায় তাকে ফুটবলের সঙ্গে কখনো সম্পৃক্ত না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
.png)
নিয়ম অনুযায়ী সোহাগ গত ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন। নিষিদ্ধ থাকার পরেও গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের একজন বলে দাবি করে ফেলেছেন!।
উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল আবু নাঈম সোহাগকে সব ধরনের ফুটবল থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এছাড়া বাংলাদেশি মুদ্রায় তাকে প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। সোহাগের বিরুদ্ধ অভিযোগ, বাফুফেকে দেওয়া ফিফার অর্থের খরচ দেখাতে তিনি ভুল ডকুমেন্ট দেখিয়েছেন। ফিফা শুনানি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই এই শাস্তি দিয়েছে বলে তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। তার বিরুদ্ধে ফিফার সাধারণ আর্টিকেল ১৫ (দায়িত্বে অবহেলা), ১৫ (সততা) ও ২৪ (মিথ্যা তথ্য দেওয়া) ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়েছে।