গত মার্চে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-২০তে অভিষেক হয় হৃদয়ের। এরপর আয়ারল্যান্ড সিরিজে সুযোগ পেয়ে খোলস থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। আর এবারই প্রথম জাতীয় দলের সঙ্গে দেশের বাইরে খেলতে গিয়েছেন। ইংলিশ কন্ডিশনে আইরিশদের বিপক্ষে দুর্দান্ত কিছু করতে চান এ টাইগার ব্যাটার।
অবশ্য মঙ্গলবার চেমসফোর্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে থিতু হয়েও ২৭ রানের বেশি করতে পারেননি হৃদয়। তার মতে, বড় স্কোর গড়তে অন্তত একজন ব্যাটারের লম্বা ইনিংস খেলে ফিরতে হবে।
.png)
বুধবার ইংল্যান্ডে বিশ্রামের দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কয়েকজন সেট হয়ে আউট হয়েছি। শান্ত ভাই, মিরাজ ভাই, আমার ইনিংসটাও বলতে হবে, সেট হয়ে আউট হয়েছি। এখানে কারও যদি ১০০ বা ৮০ রানের ইনিংস হতো, ম্যাচের দৃশ্য আরেকরকম হতো। ২৮০–৩০০ রানের স্কোর হতো। সামনের ম্যাচে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে যেন একজন ব্যাটার খেলাটা শেষ করে আসতে পারি।’
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে হৃদয়-লিটনদের ব্যাটে স্বভাবসুলভ স্ট্রোক প্লের প্রদর্শনীও দেখা যায়নি। এটির ব্যাখ্যায় হৃদয় সামনে এনেছেন কঠিন পরিস্থিতিকে, ‘যে পরিস্থিতি ছিল চাইলেও ঝুঁকি নিতে পারছিলাম না। একটু পর পর উইকেট হারিয়েছি আমরা। মনে হয়েছে কিছু হিসাবি ঝুঁকি নিতে হবে। এ মাঠে ৩০০–৩৫০ রানের স্কোর করতে হলে এই হিসাবি ঝুঁকি আমাদের নিতেই হবে।’
টাইগারদের সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হৃদয় বলেন, ‘সবাই এখানে অনেক সহায়তা করে। কখনো মনে হয় না খুব সিনিয়র (আছে দলে) ...। সবাই সবার সঙ্গে ফ্রি। যখন যেটা প্রয়োজন, সবাই অনেক সহায়তা করে। আমরা এখন যে অবস্থায়, খুব ভালো অবস্থায় আছি। আমরা যদি এটা ধরে রাখতে পারি, আশা করি ভালো ফল আসবে। আমাদের সবার বন্ডিং এখন অনেক ভালো। এখানে (জাতীয় দলে) এসে কখনোই মনে হয়নি আমি নতুন খেলোয়াড়। কখনোই অস্বস্তি বোধ করিনি। খুব ভালো লাগছে।’