ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রেকর্ডটি নিজের দখলে নিয়েছেন সাকিব।
চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৪৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের সর্বোচ্চ ৭৫ রান এসেছে সাকিবের ব্যাট থেকে। বল খেলেছেন মাত্র ৭১টি। ৫৫ বলেই এই বাঁহাতি ছুঁয়েছিলেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪২তম ফিফটি।
.png)
সব সংস্করণ মিলিয়ে সাকিবের ফিফটির সংখ্যা এখন ৯৪টি। যা বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি। ৯৩টি ফিফটি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছেন আগের রেকর্ডধারী তামিম।
তবে ম্যাচের সংখ্যায় তামিম অনেকটা এগিয়ে। ৯৩ ফিফটি তুলে নিতে তামিম খেলেছেন ৩৭৭ ম্যাচ। আর সাকিবের ৯৪ ফিফটি এসেছে ৪০১ ম্যাচে।
সাকিব ও তামিমের পর বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ফিফটির মালিক মুশফিকুর রহিম। আজ ৭০ রানের ইনিংস খেলার পথে ৯১তম ফিফটির দেখা পেয়েছেন তিনি। চতুর্থ স্থানে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটি সংখ্যা ৫৭টি।
এদিকে শুধু ওয়ানডের হিসাবে এখনো শীর্ষেই আছেন তামিম। ২৩৪ ম্যাচে তার ঝুলিতে আছে ৫৫টি ফিফটি। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান সাকিবের।
এই বাঁহাতি অলরাউন্ডারের দখলে আছে ৫২টি ফিফটি। তিনে থাকা মুশফিকের নামের পাশে আছে ৪৩ ফিফটি। আর ২৭টি ফিফটি নিয়ে চারে আছেন মাহমুদউল্লাহ।