এদিকে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর নেইমারদের বস তিতের পদত্যাগের পর পর দেশ ও বাইরের কোচ টানতে অনেকের দ্বারেই ঘুরেছে সেলেসাওদের ফুটবল ফেডারেশন। যদিও দীর্ঘদিন পর তারা প্রথা ভেঙে দেশের বাইরের কোচ নিয়োগের বিষয়টি ছিল ঝুঁকে। তবে আড়াই মাসেও কোচ না পাওয়ায় দেশীয় কোচ রামন মেনেজেসকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মেনেজেস এসেই নতুন ৯ ফুটবলারকে স্কোয়াডে রেখেছেন। পাশাপাশি বিশ্বকাপ খেলা ও ফর্মে তুঙ্গে থাকা তারকাদের মধ্যে বাদ পড়েছেন বার্সেলোনার রাপিনহা, আর্সেনালের মার্টিনেল্লি, ব্রুনো গুইমারেসরা। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের গোলকিপিংয়ে প্রধান চয়েজ অ্যালিসন বেকার, ডিফেন্ডার সিলভা ও মিডফিল্ডার ফ্রেডকে দলের বাইরে রাখা হয়েছে।

.png)
২৩ সদস্যের দলে রাখা হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাজয়ী ব্রাজিল দলের পাঁচ খেলোয়াড়কে। গোলরক্ষক মাইকেল, ডিফেন্ডার আর্থার, রবার্ট রেনান, মিডফিল্ডার আন্দ্রে সান্তোস ও ফরোয়ার্ড ভিটোর রোকু স্কোয়াডে প্রথমবারের মত জায়গা পেয়েছেন। এছাড়াও আন্দ্রে, জন গোমেজ, রাফায়েল ভেগা ও রনির মত উদীয়মান তারকাদেরও স্কোয়াডে রেখেছেন মেনেজেস।
২৩ সদস্যের ব্রাজিল দল :
গোলরক্ষক: এডারসন (ম্যানচেস্টার সিটি), মাইকেল (অ্যাথলেটিকো পিআর), ওয়েভারটন (পালমেইরাস)
ডিফেন্ডার: ইবানেজ (রোমা), এডার মিলিটাও (রিয়াল মাদ্রিদ), মারকুইনহোস (পিএসজি), রবার্ট রেনান (জেনিথ), আর্থার (আমেরিকা মিনেরিও), এমার্সন রয়্যাল (টটেনহ্যাম), অ্যালেক্স টেলেস (সেভিয়া), রেনান লোদি (নটিংহ্যাম)
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে (ফ্লুমিনেজ), আন্দ্রে সান্তোস (ভাস্কো), ক্যাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জন গোমেজ (উলভারহ্যাম্পটন), লুকাস পাকুয়েতা (ওয়েস্ট হ্যাম), রাফায়েল ভেগা (পাল্ম ট্ট্রিস)
ফরোয়ার্ড: অ্যান্তোনি (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম), রদ্রিগো (রিয়াল মাদ্রিদ), রনি (পাল্ম ট্ট্রিস), ভিনিসিয়াস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), ভিটোর রোকু (অ্যাথলেটিকো পিআর)