রোনালদোর ব্যর্থতায় ঘরের মাঠে পয়েন্ট খোয়ালো ইউনাইটেড
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ব্যর্থতায় সাউদাম্পটনের বিপক্ষে পয়েন্ট খুইয়েছে ইউনাইটেড। গোলরক্ষককেও কাটিয়ে ফাঁকা বারের সামনে চলে গেলেও জালে বল প্রবেশ করাতে পারেননি এ পর্তুগিজ সুপারস্টার। গোলখরার ধারাটা টানা ছয় ম্যাচে উন্নীত করলেন সিআর সেভেন।
শনিবার রাতে নিজেদের ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সাউদাম্পটনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ইউনাইটেড। অথচ গত মৌসুমে এই দলকেই ঘরের মাঠে ৯ গোল দিয়েছিল রেড ডেভিলসরা।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই সহজতম সুযোগটি পেয়েছিলেন রোনালদো। জ্যাডন স্যানচোর বুদ্ধিদীপ্ত পাসে অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে গোলরক্ষককেও পরাস্ত করেন তিনি। তখন সামনে শুধুই ফাঁকা গোলবার।
কিন্তু রোনালদোর বাম পায়ের দুর্বল শট জালে জড়ানোর আগেই এক ডিফেন্ডার এসে ফিরিয়ে দেন। ম্যাচের ৭২ মিনিটে আরও একবার খলনায়ক হন রোনালদো। তখন ব্রুনো ফার্নান্দেসের ক্রসে হেড দিয়ে বল জালে জড়ান সানচো। কিন্তু রোনালদো অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় সেই গোল।
এর আগে অবশ্য ম্যাচের ২১ মিনিটের মাথায় ইউনাইটেডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সানচো। ব্রুনো ফার্নান্দেসের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে সানচোর উদ্দেশ্যে আড়াআড়ি ক্রস দেন মার্কাস র্যাশফোর্ড। দূরের পোস্টে দাঁড়িয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন সানচো।
বিরতির আগে আরও একটি গোল পেতে পারতো ইউনাইটেড। রোনালদোর ক্রসে বল জালে জড়িয়েছিলেন পল পগবা। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে বল রিসিভ করার সময়ই অফসাইডে ছিলেন রোনালদো। ফলে বাতিল হয়ে যায় সেটিও।
পরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লিড হারায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৪৮ মিনিটের সময় ইউনাইটেডকে হতাশার সাগরে ভাসিয়ে সমতা ফেরান চে এডামস। ম্যাচের বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও আর গোলের দেখা পায়নি ইউনাইটেড।
এ নিয়ে টানা ছয় ম্যাচে গোলবঞ্চিত রইলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার ক্যারিয়ারে এর চেয়ে বড় গোলখরা ছিল সবশেষ ২০০৮-০৯ মৌসুমে। সেবার টানা সাত ম্যাচ গোলের দেখা পাননি তিনি। এবারের গোলখরা কবে কাটবে সেটিই দেখার।
সাউদাম্পটনের সঙ্গে ড্র করার পর ২৪ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছে ইউনাইটেড। শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ২৫ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট। ইউনাইটেডের সমান ২৪ ম্যাচ খেলে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে সাউদাম্পটন।