তাই গরুও ওজন দেখে কিনতে পারেন আবার শুধু দামদর করেও কিনতে পারেন। এটা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার কিছু নেই। এটি বাজার ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে।
আমাদের দেশের গরুর খামারগুলোতে পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করে পশু বিক্রির প্রচলন রয়েছে। অনেক কোরবানির হাটেও এখন পশুর ওজন মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল বসানো হয় এবং ওজন দরে পশু কেনার সুযোগ থাকে।
.png)
পশুর লাইভ ওয়েট দেখে পশুর মূল্যমান বা তার গোশতের পরিমাণ অনুমান করা যায়, কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তাই যদি পশুর লাইভ ওয়েট অনুযায়ী গোশত বিক্রি করা হয়, তা জায়েজ হবে না। যেমন কোনো পশুর লাইভ ওয়েট হলো একশত পঞ্চাশ কেজি, তা থেকে চল্লিশ শতাংশ বর্জ্য হিসেবে বাদ দিয়ে নব্বই কেজি গোশত পাঁচশত টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হলে তা জায়েজ হবে না।
কিন্তু যদি লাইভ ওয়েট মূল্যমান অনুমান করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়, পশু দেখে তার লাইভ ওয়েট অনুযায়ী যা দাম আসে তা দেখে ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে মূল্য নির্ধারণ করা হয়, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে। যেমন ক্রেতা কোনো পশু দেখে পছন্দ করল, গরুটি কেজিপ্রতি কত টাকা দরে বিক্রি হবে তা নির্ধারণ করা হলো এরপর লাইভ ওয়েট দেখার পর ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হলো, তাহলে এই বেচাকেনা জায়েজ হবে।
কারণ এ ক্ষেত্রে ওজন হিসেবে গরু বা ছাগলটির গোশত ক্রয়-বিক্রয় করা হয়নি বরং এটার মূল্য অনুমান করার জন্য গরুটি ওজন করা হয়েছে এবং ক্রেতা গরুটি চেখে দেখেও ওই দামে কিনতে সম্মত হয়েছেন।