ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ধর্ম ]

তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের সর্বোত্তম সময়

আব্দুল্লাহ ওয়াহিদ
প্রকাশিত: ১৮:৫৮, ২ মার্চ ২০২৪
তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের সর্বোত্তম সময়
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নামাজ (ফারসি: نماز‎‎) বা সালাত (আরবি: صلاة‎‎) ইসলাম ধর্মের ৫টি রোকনের মধ্যে দ্বিতীয় রোকন। প্রাপ্তবয়স্ক ও বুদ্ধি-জ্ঞান সম্পন্ন নারী পুরুষ নির্বিশেষে, প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ বা অবশ্যকরণীয় একটি ধর্মীয় কাজ। আর ৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।

নফল নামাজের মধ্যে সর্বোত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। মর্যাদা ও ফজিলতের দিক থেকে ফরজ নামাজের পরই তাহাজ্জুদের অবস্থান। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ হলো রাতের (তাহাজ্জুদের) নামাজ’।

তাহাজ্জুদ (আরবি: تهجد), রাতের নামাজ বা কিয়ামুল লাইল নামেও পরিচিত, ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের জন্যে একটি ঐচ্ছিক ইবাদত। এটা বাধ্যতামূলক ৫ ওয়াক্ত নামাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। ইসলামের নবী মুহাম্মাদ(সা.) নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন এবং তার সাহাবীদের এটা পালনে উৎসাহিত করতেন।

Advertisement

তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের সর্বোত্তম সময়

তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার বা আদায়ের সময় কখন- কেউ কেউ তা জানতে চান। এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে তাহাজ্জুদের সময় শুরু হয় এবং রাতের শেষ ভাগ পর্যন্ত সময় থাকে। তবে তাহাজ্জুদ আদায়ের সর্বোত্তম সময় হলো- রাতের শেষ অংশ। অথবা ফজরের নিকটবর্তী সময়, যে সময়টা রাতের এক তৃতীয়াংশ।

শেষ রাতে বিতর-তাহাজ্জুদ

জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে রাতের শেষ ভাগে তাহাজ্জুদ আদায়ের ব্যাপারে আশঙ্কা করে, সে যেন রাতের প্রথম ভাগে বিতর নামাজ পড়ে নেয়। আর যে শেষ ভাগে জেগে নামাজ আদায়ে আশা রাখে, সে যেন রাতের শেষ অংশে বিতর আদায় করে। কেননা, রাতের শেষ ভাগে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে সাক্ষ্য রয়েছে এবং এটি সর্বোত্তম’। (মুসলিম, হাদিস : ৭৫৫)

উক্ত হাদিসের মাধ্যমে বোঝা যায়, তাহাজ্জুদ আদায়ের সর্বোত্তম সময় হলো রাতের শেষ অংশ। তবে যার আশঙ্কা হয় যে, রাতের শেষ ভাগে জেগে তাহাজ্জুদ আদায় সম্ভব নয়; তার জন্য শুরুর ভাগে তাহাজ্জুদ আদায় করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম তাহাজ্জুদ

আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আসমানে আগমন করেন, এরপর বলেন, কে আছে আমার কাছে দোয়া করবে আর আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো? কে আছে আমার কাছে কোনো কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দেবো’? (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ১৪/৪৬)

ডেইলি-বাংলাদেশ/জিআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!